ইরানে বাঁচছে লাখো শিশু, পরমাণু প্রযুক্তি সহায়তায় বংশগত রোগ শনাক্তে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ
ইউর ন য় ম ব চছ ইর – ইরানের স্বাস্থ্য দপ্তর দাবি করছে যে, দেশটির পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নবজাতকদের জটিল বংশগত রোগ শনাক্তে উন্নত পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কার্যক্রমটি শুরু হয়েছিল দুই দশক আগে এবং বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতিদিন সংখ্যার জন্য সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্বের আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ইরান কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, প্রতিটি নবজাতককে সারা দেশে বিনামূল্যে ৫৮ ধরনের মেটাবলিক রোগের পরীক্ষা করা হচ্ছে।
সেই পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে ট্যান্ডেম মাস স্পেকট্রোমেট্রি (এমএস/এমএস) প্রযুক্তি। ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরীক্ষা পদ্ধতি এবং ভৌত কর্মসূচি একত্রে বিশ্বের বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। দেশটি দাবি করছে যে, তাদের নবজাতকদের গোড়ালি থেকে কয়েক ফোঁটা রক্ত সংগ্রহ করে পরীক্ষা চালু করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে যে, দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে টানা সাত বছর ধরে শতভাগ স্ক্রিনিং কভারেজ বজায় রাখা হয়েছে।
পরমাণু প্রযুক্তির অগ্রগতি সাথে পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। ইরানের মতে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম থেকে উৎপাদিত রেডিওআইসোটোপ ব্যবহার করে উচ্চমাত্রার আইসোটোপ উৎপাদন সম্ভব হয়। এই প্রযুক্তি দ্বারা ক্যানসার ও হৃদরোগ নির্ণয়সহ বিশ্বজুড়ে নানা চিকিৎসা পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয়।
বর্তমানে ইরানে নবজাতকদের জন্মের তৃতীয় থেকে পঞ্চম দিনের মধ্যে স্ক্রিনিং কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। জটিল রোগ শনাক্তের ক্ষেত্রে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইরান জন্মের সময়ে অ্যামিনো অ্যাসিড বিপাকজনিত সমস্যা, অর্গানিক অ্যাসিডেমিয়া এবং ইউরিয়া সাইকেল ত্রুটি শনাক্ত করতে সক্ষম। এটি দ্বারা তুলনামূলক কম তেজস্ক্রিয় বর্জ্য তৈরি হয়।
২০২৫ সালে প্রকাশিত গবেষণায় ফার্স প্রদেশের নবজাতকদের মধ্যে প
