ইউরোপেও পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা
ইউর প ও প শ ক রপ – বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বাজারে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ইউরোপে চাহিদা কমে আসা কারণে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। গত বছর জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে রপ্তানি আয় তিন হাজার ১৭২ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। ইউরোপীয় বাজারে পোশাকের চাহিদা নেমে আসায় দেশের পোশাক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ক্ষতির মূল কারণগুলো অর্থনৈতিক ধীরগতি, মূল্যস্ফীতি ও ভোক্তাদের ব্যয় সংকোচন হতে পারে।
ইউরোপের বাজারে পোশাক চাহিদা কমেছে অনুমানে সামান্য বৃদ্ধি
পোশাক রপ্তানির প্রধান বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে গত দুই বছরে ক্ষতি হয়েছে সামান্য বৃদ্ধি সামনে আসছে না। গত দশ মাসে ইউরোপে পোশাকের চাহিদা হ্রাস পেয়েছে ৩.৬৮ শতাংশ এবং ওভেন খাতে কমেছে ১.৮৩ শতাংশ। পুরো পোশাক রপ্তানিতে স্থায়ী গুরুতর পরিবর্তন ঘটেছে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশিলতার প্রতি ধ্বংসাবশেষ তৈরি করেছে। ইউরোপে পোশাক বিক্রির মার্কেট প্রবাহ কমে গেছে যার কারণে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো নতুন অর্ডার প্রদানে সতর্ক হয়েছে।
বৈশ্বিক চাহিদা কমে আসার সাথে সাথে ভারী মূল্যস্ফীতি ও ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির প্রতিযোগিতা আরও সংকটাচ্ছন্ন হয়েছে। বৃহত্তর চালক হিসেবে কাজ করা খাতে চালক তৈরি করতে চাইলে উৎপাদন খরচ কমানো এবং নতুন বাজার খুঁজে বাংলাদেশ পোশাক খাতের উন্নয়ন প্রয়োজন। জ্বালানি সংকট এবং মূল্য বৃদ্ধি এর কারণে পোশাক রপ্তানি ক্ষতির চূড়ান্ত পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।
অপ্রচলিত বাজারগুলোতে বৃদ্ধি হতে পারে কিন্তু আয় কমেছে
গত দশ মাসে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির পরিমাণ কমেছে ৫.৮৩ শতাংশ। অপ্রচলিত বাজারগুলোতে আয় ৫১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। যদিও এসব বাজার দেশের মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় এক ভগ্নাংশ কভার করে, তবু সেখানে অপেক্ষাকৃত ক্ষতির মুখে পরিচিতি হয়েছে। এখন পোশাক রপ্তানির সম্ভাব্য বৃদ্ধি ঘটছে না, যা সম্পূর্ণ খাতের স্থিতির উপর গুরুতর প্রভাব ফেলেছে।
এছাড়াও চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং যুক্তরাজ্যে পোশাক রপ্তানি কমে থাকলেও কিছু সামান্য বৃদ্ধি হয়েছে। সামান্য বৃদ্ধির মাধ্যমে এই মূল প্রবাহ কমেছে কিন্তু ইউরোপের রপ্তানি হ্রাসের চাপ আগের তুলনায় বেশি হয়েছে। একটি সমীক্ষায় কিছু ক্রেতা ইউরোপে পোশাক বিক্রি সংকট সামনে নিয়েছেন যার কারণে পোশাক রপ্তানি আগের তুলনায় কমেছে।
প�
