জাপানে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জনসংখ্যা হ্রাস ঘটালো নতুন শুমারির পর চিন্তায় পড়েছে দেশ
ইত হ স র সবচ য় বড় – ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জনসংখ্যা হ্রাসের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে জাপানের সর্বশেষ জাতীয় আদমশুমারি। পাঁচ বছরের মধ্যে দেশটির জনসংখ্যা হ্রাসের পরিমাণ মোট ৩০ লাখের বেশি হয়েছে, যা ইতিহাসের সবচেয়ে বৃহৎ ক্ষতি হিসেবে স্বাক্ষরিত হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার প্রকাশ করেছে এই বৃহত্তম আদমশুমারির প্রাথমিক তথ্য। বর্তমানে জাপানের মোট জনসংখ্যা ১২ কোটি ৩০ লাখ ৪৯ হাজার ৫২৪ জন হয়েছে। এটি দেশটির ২০২০ সালের শুমারি থেকে ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৫ জন কমেছে।
জনসংখ্যা হ্রাসের কারণসমূহ
এই মহামারির পেছনে কয়েকটি কারণ নির্দেশ করা হয়েছে। প্রথমত, স্থানীয় পরিবার ক্ষেত্রে কম জন্ম হার সবচেয়ে বড় সংকটের কারণ। গত দশকে জাপানে মাতামাতি বাড়ছে এবং বিবাহ বয়স বেড়েছে বলে বিশ্লেষকরা দাবি করছেন। এছাড়াও নারী কর্মসংস্থানের উন্নয়ন এবং পরিবার কেন্দ্রিক সংস্কৃতির পরিবর্তন জনসংখ্যা কমে আসার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। জনসংখ্যা হ্রাসের চূড়ান্ত কারণ হিসেবে স্থায়ী জনসংখ্যা হ্রাসের বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
এই পরিসংখ্যান আদমশুমারির মাধ্যমে স্বাক্ষরিত হয়েছে যে, জাপানে জনসংখ্যা হ্রাসের গতিপরিবর্তন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘটনা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
জনসংখ্যা হ্রাসের পরিস্থিতি বিশেষ করে বৃদ্ধ জনসংখ্যার বৃদ্ধি এবং যুব জনসংখ্যার কমতি জনসংখ্যা কমে আসার মূল কারণ। নতুন আদমশুমারি অনুযায়ী, বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা প্রতি বছর বেড়ে চলছে, যা স্থায়ী জনসংখ্যা হ্রাসের সাথে সম্পর্কিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি গৃহীত বৃদ্ধি এবং শিশু জন্ম হার বেড়ে না যাওয়ার কারণে দেখা গেছে।
জনসংখ্যা হ্রাসের প্রতিক্রিয়া
এই আদমশুমারির পর জাপানের সরকার জনসংখ্যা হ্রাস দূর করার উদ্দেশ্যে নতুন ব্যবস্থা প্রবিষ্ট করতে চলেছে। প্রতিক্রিয়া হিসেবে জনসংখ্যা হ্রাসের সামনে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করার জন্য প্রতিষ্ঠান এবং সরকার একত্র হয়েছে। এছাড়াও স্থায়ী জনসংখ্যা হ্রাসের প্রতি জনসংখ্যা বৃদ্ধি করার প্রচেষ্টা চলছে।
আর্থিক ভাবে এই হ্রাস দেশের ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। বৃহত্তম জনসংখ্যা হ্রাস নিশ্চিত করেছে যে জনসংখ্যা কমে আসার সাথে সাথে কর্মশক্তি এব
