তুরস্কের আঞ্চলিক জোটের রূপরেখা: ইরান-ইসরায়েল সম্পর্কে নতুন পরিকল্পনা
ইর ন ইসর য় লক ন য় – তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর রূপরেখা প্রকাশ করেন, যা পাকিস্তান থেকে পারস্য উপসাগর পর্যন্ত বিস্তার পেয়েছে। তিনি জানান, ইসরায়েল ও আরব দেশগুলো মধ্যে স্বীকৃতির শর্তে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠন সম্পূর্ণ হলে তাদের এই জোটের অংশ হতে পারে।
ফিদান এই প্রস্তাবটিকে মধ্যপ্রাচ্যের সমস্ত দেশের জন্য একটি সহযোগিতামূলক কাঠামো হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই অঞ্চলের সব দেশ একে অপরের ভূখণ্ডগত একত্রীকরণ, সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তার জন্য স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।
তিনি বলেন, ‘যদি ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধান হয়, তাহলে আঞ্চলিক দেশগুলো ইসরায়েলের নিরাপত্তার সাথে পুনরায় সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ পাবে।’
তুরস্কের রূপরেখায় ইরানের অংশগ্রহণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে আব্রাহাম চুক্তির প্রভাব বিবেচনায় ফিদান এই প্রস্তাব প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, তুরস্ক এবং ইসরায়েল ১৯৪৯ সাল থেকে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের আগে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। সেই বাণিজ্য এরপর থেকে বন্ধ রয়েছে।
ফিদান উল্লেখ করেন, ‘বাণিজ্য বন্ধ করার সময় আমরা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিলাম যে ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং গাজাবাসীদের মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণে বাধা দেওয়া বন্ধ করতে হবে।’
নিক্কেই এশিয়া সাক্ষাৎকারে ফিদান এই সম্প্রসারণের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন, যাতে ইরান ও ইসরায়েল একটি সম্পূর্ণ আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্মের অংশ হতে পারে।
তুরস্ক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের সাথে পরিচিতি পেয়েছে এবং স্বীকার করেন যে বিপাক্ষীয় সম্পর্ক গভীর। তবে সেই সম্পর্ককে পুনরায় শুরু করতে হলে কী প্রয়োজন হবে তা স্পষ্ট করে বলেন তিনি।
তুরস্কের �
