ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা আরও তীব্র, আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি | | বাংলাদেশ প্রতিদিন
ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা বৃদ্ধি, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি
Patrikajournal.com – ইর ন ইসর য় ল উত ত - ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠছে। ইরান সরাসরি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে, যার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে হামলা চালায়। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে যে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। এর পর ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়েছে এবং পাল্টাপাল্টি সংঘাতের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘনের পরিণতি
আগ্রাসনের জবাবে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘনের দাবি চালু হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ঘোষণা করেছে যে লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় তারা বারবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এই হামলার মাধ্যমে ইরান একটি সতর্কতামূলক ক্রিয়া প্রদর্শন করেছে যা ইসরায়েল ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে একটি সম্ভাব্য মহাযুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখায়। আইআরজিসি জানিয়েছে যে এই হামলার পরিণতি হিসাবে ইসফাহান ও তাবরিজে ইসরায়েলের আক্রমণ চালানো হয়েছে, যাতে একাধিক বিস্ফোরণ শোনা গেছে।
হুমকি ও প্রতিক্রিয়া কী ভাবে ঘটেছে?
ইরান জানিয়েছে যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার প্রতিক্রিয়া দেখায় এখন আরও বড় সামরিক হামলা হতে পারে। এই ঘটনার পর ইসরায়েল তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে এই ঘটনার পর সংঘাতের সম্ভাবনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নতুন দাবি দিয়ে প্রতিটি পক্ষ নিজেদের বলিদান করছে।
রেড লাইন অতিক্রম করার কারণে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী একটি গুরুতর অভিযান চালায়। এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল ইরানের কয়েকটি স্থানে আক্রমণ চালায়, যার প্রভাব আরও বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাত প্রতিটি দিন আরও চাপ বাড়িয়ে চলছে। এই উত্তেজনার প্রতিক্রিয়া হিসাবে ইরান ও ইসরায়েল উভয়ে সামরিক প্রস্তুতি বাড়িয়েছেন।
ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র সংকট সম্পর্কে সূত্র দেখায় যে এই ধরনের আক্রমণ কমপক্ষে পাঁচটি বার ঘটেছে। প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের প্রতিরক্ষা ব্যব