ইসলামী ব্যাংক মানেই ইসলাম নয়, আগের সব হরিলুটের তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসল ম ব য ক ম ন – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং জামায়াতে ইসলামীকে ইসলাম নয় বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ধর্মের দোহাই দিয়ে সবকিছু থেকে বাঁচার সুযোগ নেই। ইসলামী ব্যাংকে আগে যে হরিলুট ও রাজনৈতিক নিয়োগ হয়েছে, সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করার দাবি জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংক এবং জামায়াতে ইসলামী সবকিছুতে ইসলামের দোহাই দেওয়া ঠিক নয়। তিনি বলেন, এখন পর্দার আড়ালে গ্রাহক সাজিয়ে আন্দোলন করানো হচ্ছে। তদন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকে করা হবে।
ব্যাংকে তদন্তের দাবি ও আইনি মূল্যায়ন
আগের সব হরিলুটের তদন্ত করার প্রস্তাব করেন বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই প্রস্তাবে বিরোধী দলের কড়া সমালোচনা করেন।
তিনি কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের কবিতা উদ্ধৃত করে বলেন, ‘কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে, কভু আশীবিষে দংশেনি যারে…’ ইসলামের ওপর হাত দেবেন না বলে দোহাই দেওয়া হচ্ছে এবং ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয় বলে দৃঢ় ভাষায় তার দাবি জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকের পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের (আরডিএস) সমালোচনা করেন। মোট ২২ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে এই প্রকল্পে, যার মধ্যে নারী গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে ১১ হাজার কোটি টাকা দুই-তিনটি করে প্রমোশন দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ তুলে ধরেন।
ব্যাংকে গণহারে চাকরিচ্যুতি ও রাজনৈতিক নিয়োগের পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে যে কোনো আইন-কানুন মেনে চাকরিচ্যুতি করা হয়নি সেই কথা জানান তিনি। বরং রাজনৈতিক বিবেচনায় ৬ হাজার নতুন নিয়োগ ও ৯ হাজার কর্মীকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
আইনি এখতিয়ার ও আগামী পদক্ষেপ
নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আসে তবে তদন্ত করা হবে। আইনের ৪৫, ৪৬, ৪৭ ও ৫৭ ধারা বিষয়ে বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় পর্ষদ বাতিল বা নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের এখতিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রয়েছে।
অন্যায়ভাবে যাদের চাকরি বরণ করা হয়েছে, তাদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে আহ্বান জানান তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হ
