ঈদপরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতা | | বাংলাদেশ প্রতিদিন
ঈদপরবর ত স ব স থ য – ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হয়েছে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে। এ উৎসবে আনন্দের সঙ্গে সাথে শিক্ষা ও সচেতনতার আবশ্যকতা থাকে। ঈদে খাবার টেবিলে গরু ও খাসির মাংস সাধারণত স্থান পায়। সে সময় শেষ করে খাওয়া-দাওয়া, উপভোগ ও আনন্দে পূর্ণ হয়।
ঈদের সময় স্বাস্থ্যের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে ক্যালরি গ্রহণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে মসলা ও ঘি ব্যবহারে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে কোলেস্টেরলের বৃদ্ধি এবং রোগের সম্পর্ক রয়েছে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক এবং ব্রেন স্ট্রোক এগুলো সাধারণত সংক্রমণের সাথে সম্পর্কিত।
খাবার পরিবর্তনের ফলে রোগ প্রতিরোধে ঝুঁকি বৃদ্ধি হতে পারে। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন যারা রক্তচাপ ও হার্ট রোগী। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস রাখতে ও শারীরিক কর্মকান্ড করতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পারে।
স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ
(১) কোরবানির মাংস খাওয়াদাওয়ার পরিমাণ কমানো জরুরি। ঈদের আনন্দে হঠাৎ করে পরিমাণ বৃদ্ধি করবেন না। হোটেল বা বন্ধুবান্ধবের বাসায় খাওয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন।
(২) রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়া বন্ধ করুন। খাওয়ার পর দুই ঘন্টা পর বিছানায় যাওয়া ভালো। অতিরিক্ত খাওয়ার পর পানি পান করতে হবে না। কম করে এক ঘন্টা পর পানি গ্রহণ করুন।
(৩) কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে পানি ও তরল খাবার খেতে হবে। শাকসবজি, সালাদ, ইসবগুলের ভুসি খাওয়া ভালো। মাংস, পোলাও, বিরিয়ানি ইত্যাদি কম খাওয়া প্রয়োজন।
(৪) ডায়রিয়া ও আমাশয়ের রোগ প্রতিরোধে বিশুদ্ধ পানি খেতে হবে। চটপটি, ফুচকা, হালিম ইত্যাদি খাবার বাইরে থেকে পরিহার করুন। যেতে পারেন ঘরে তৈরি করে।
(৫) উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের লবণযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। রক্তচাপ চেক করুন নিয়মিত।
(৬) ডায়াবেটিস রোগীদের চিনি বৃদ্ধি করা খাবার এড়িয়ে চলুন। রক্তের স
