ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল
ঈদ ব ড় ফ র র পথ – প্রতি বছর বহু মানুষ কর্মস্থল ছেড়ে স্বজনদের সাথে ঈদ উপলক্ষে ফিরে আসেন। এই যাত্রার সময় বাসা বা অফিস থেকে বের হওয়ার আগে নিচের দোয়াটি পাঠ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যার মধ্যে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন।
যানবাহনে উঠার সময় দোয়াটি পাঠ করলে সব বিপদ থেকে নিরাপত্তি পাওয়া যাবে এবং শয়তানের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে। দোয়াটি হলো:
বিসমিল্লাহ, তাওাক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। অর্থ: তুমি হিদায়াতপ্রাপ্ত, নিরাপদ ও সুরক্ষিত হলে।
(আবু দাউদ শরিফ)
যানবাহনে উঠার সময় তাড়াহুড়া করা সাধারণ। বৃদ্ধ বা মহিলাদের খেয়াল না করে অনেকে ঝুঁকি নিয়ে অবস্থান করেন। লাফ দিয়ে উঠে পড়া আচরণ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। অতএব এই সময়ে থেমে থাকার পর পা রেখে বসার দোয়া পাঠ করা উত্তম।
যানবাহন উঠার পর আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করা এবং তিনবার আল্লাহু আকবর বলা সম্পূর্ণ আমলে সম্পন্ন করতে পারে। এর পর দোয়াটি পাঠ করা যেতে পারে:
সুবহানাল্লাহু সাখখারালানা হা জা ওয়ামা কুননা লাহু মুক্করিনীন ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্কালিবুন। অর্থ: আমাদের জন্য এটি আল্লাহর অধীন করেছেন। তিনি আমাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত করেছেন।
(সুরা যুখরুফ-১৩-১৪)
নদীপথে যাওয়ার সময় দোয়াটি পাঠ করা উত্তম:
বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়ামুসাহা ইন্না রাব্বি লাগাফুরুর রাহিম। অর্থ: আল্লাহর নামে এর গতি ও স্থিতি আমার পানলনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ন মেহেরবান।
(সুরা হুদ-৪)
ঈদে বাড়ি যাওয়ার পর আমল
ঈদ যাত্রার সমাপনে বাড়ি পৌঁছানোর পর প্রথম কাজ হলো আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করা এবং রসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ শরিফ পাঠ করা। আল্লাহ বিপদমুক্ত করে পরিবারের সাথে ঈদ উদ্যাপনের জন্য বাড়িতে আসার তাওফিক দিয়েছেন। এজন্য দুই রাকাত নামাজ আদায় করা খুব উত্তম প্রক্রিয়া।
হজরত কা’ব ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত: রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফেরেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।
(বুখারি ও মুসলিম)
যাত্রার মধ্যে অপ্রয়োজনীয় কথা ও হাসিতামাশা থেকে বিরত থাকা ভালো। কোরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ, জিকির ও অতিরিক্ত দরুদ শরিফ পাঠ করে সফরটি ইবাদত বন্দেগিতে কাটানো উত্তম। পার্শ্ববর্তী যাত্রীদের সাহায্য করা এবং সুন্দর আচরণ করা বাধ্যতামূলক। বিপদে পড়লে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পাঠ ক
