Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

উড়ন্ত আমেরিকাকে মাটিতে নামাল ইরান | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 2, 2026 · Updated July 21, 2026 · By James Martinez - patrikajournal.com

Foto : James Martinez - patrikajournal.com

উড়ন্ত আমেরিকাকে মাটিতে নামাল ইরান | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার ২০টি সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

Patrikajournal.com – উড়ন ত আম র ক ক ম - মধ্যপ্রাচ্যের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলার শিকার হয়েছে। বিবিসি ভেরিফাই স্যাটেলাইট চিত্র ও ভিডিও বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা ওয়াশিংটনের বিষয়টি স্বীকৃতি দিতে বাধ্য করেছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় তিন মাসে ইরান ও লেবাননের যুত্ত বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে আটকে আছে। এ হামলায় আমেরিকার বিলিয়ন মানের সামরিক লক্ষ্যবস্তু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে অনেকগুলো রাডার স্টেশন ও জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান রয়েছে।

পেন্টাগন দাবি করেছে যে, অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর পর থেকে ইরানি সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে আঘাত হানে এগোচ্ছে। এই বিষয়ে তেহরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য এখন আর মার্কিন ঘাঁটিগুলোর জন্য নিরাপদ স্থান নয়। তবে তেহরান শুধু প্রতিরোধ করেনি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা এখানে মার্কিন ও যৌথ সামরিক স্থাপনাগুলোকে আক্রমণ করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো নিরাপদ জায়গা নয় বলে আমি জানাই।

হোয়াইট হাউস বারবার জানাচ্ছিল যে ইরানের সামরিক বাহিনী প্রায় নির্মূল হয়েছে, কিন্তু সামরিক বিশ্লেষকদের মতে স্যাটেলাইট ছবি দেখে ইরানি হামলার সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ধ্বংস প্রমাণিত হয়েছে। সামরিক নিরাপত্তার অজুহাত দিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

বিবিসি ভেরিফাই সংঘাত সম্পর্কে প্ল্যানেট কোম্পানিকে ছবি সীমিত করার জন্য অনুরোধ করেছিল, কিন্তু অন্যান্য আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ছবি মিলিয়ে এই ক্ষতির স্পষ্ট চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ইরাক, বাহরাইন ও ওমানের ঘাঁটিগুলো এ হামলার শিকার হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে এক হাজার পর্যন্ত।

অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মধ্যে ইরানি হামলার প্রমাণ পাওয়া যায় এমন সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলো ছাড়া কিছু বিশ্লেষকের মতে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ই-৩ নজরদারি বিমান এবং কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে স্যাটেলাইট যোগাযোগব্যবস্থা ও জ্বালানি বাংকার ধ্বংসের ছবি পাওয়া গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে স্থাপনাগুলো মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষার জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

মার্কিন থিংক ট্যাংক স্টিমসন সেন্টারের ড. কেলি গ্রিকো বলেছেন যে, যদি বর্তমান যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায়, তবে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষার পরিমাণ অবক্ষয়ের কারণে আরও বৃহৎ ইরানি হামলা মোকাবিলা করা ওয়াশিংটনের জন্য সম্ভব হবে না।