ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ঘটলো
এব র ভ রত ব ড়ল জ – এবার ভারতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধি হয়েছে। বাড়তি কিছু রুপি দ্বারা লিটারে দাম বেড়েছে, যা পরিবহন খরচের উপর প্রভাব ফেলেছে। কলকাতায় পেট্রোলের দাম ১০৮.৭৪ রুপি হয়েছে, ডিজেলের দাম ৯৫.১৩ রুপি। মুম্বাই ও চেন্নাইতে যথাক্রমে ১০৬.৬৮ রুপি ও ১০৩.৬৭ রুপি পেট্রোল দাম বৃদ্ধির পরিণতি ঘটেছে। ডিজেলের দাম বৃদ্ধি হয়েছে কলকাতায় ৯৫.২৫ রুপি এবং মুম্বাইয়ে দাম বেড়েছে ৯৩.১৪ রুপি। দিল্লিতে সিএনজি দাম বৃদ্ধি পেয়েছে লিটারে ২ রুপি করে।
তেলের দাম বৃদ্ধির কারণ
বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ভারতের তেল কোম্পানিগুলো দাম বাড়ানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ও হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার কারণে তেলের বিশ্বব্যারেল দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। এই চাপে ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে। ইরান ও লিবিয়ার যুদ্ধ কেন্দ্রীয় তেল ব্যবসায়ীদের অস্থির হওয়ার কারণ হয়েছে। এই দাম বৃদ্ধির ফলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা ছিল, কিন্তু এখন তা সত্যিই ঘটেছে।
সরকার কি করেছে এই পরিস্থিতির মুখে?
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জ্বালানি তেল ব্যবহার কমানোর জন্য। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন বাড়িতে কাজ করার বিষয়ে। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ও রাজ্য সরকারগুলো কাজ করেছে। তেলের দাম বৃদ্ধির সম্মুখীন হওয়ার পর একাধিক সরকার তাদের গাড়িবহরের সংখ্যা কমিয়েছে। এবার ভারতে এই পরিবর্তন কার্যকর হয়েছে, যে জন্য সরকার নির্দেশ দিয়েছে জ্বালানি তেল বাজারের জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা।
আর্থিক প্রভাব কী ভাবে ঘটছে?
পেট্রোল ও ডিজেল দাম বৃদ্ধির ফলে বিশেষজ্ঞদের মতে বাস ও ট্যাক্সি সম্পর্কে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। এবার ভারতে এই দাম বৃদ্ধি যে মূল্যবৃদ্ধি পরিস্থিতির আরও কারণ হয়ে উঠেছে। পরিবহন খরচ বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যে কারণে অর্থনীতি ও জনসাধারণের ব্যয় বৃদ্ধি হয়েছে। তাই দাম বৃদ্ধির পর বাড়তি খরচ সামঞ্জস্য করার জন্য অনেকে পরিবারে জ্বালানি তেল সংরক্ষণের প্রচেষ্টা চালু করেছে।
এবার ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর গ্রাহকদের বাড়তি অর্থ খরচ করতে হবে। ভারতীয় তেল সংস্থাগুলো দাম না বাড়িয়ে ক্ষতি হতে পারত, কিন্তু বাজার চা�
