যুক্তরাষ্ট্র কিউবার জন্য ভেনেজুয়েলার স্বাদ নিয়ে আলোচনা
ক উব ক ভ ন জ য় – ক্যারিবীয় দ্বীপদেশ কিউবা জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ সংকটে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি গ্রহণ করেছে। বিবিসি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র খুনের অভিযোগ দায়ে রয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার নতুন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিমান ভূপাতনের ঘটনার প্রতিশোধ চেয়ে বিশেষজ্ঞদের ধারণা
২০১৮ সালে রাউল কাস্ত্রো থেকে পুরো শাসনব্যবস্থা বদলাতে চাওয়া হচ্ছে। তবে কিউবার নতুন নেতা নির্বাচনের জন্য ভেনেজুয়েলার মতো অপহরণ বিষয়ে আলোচনা চলছে। গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করা হয়েছিল এবং তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর সম্ভাব্য অপারেশন গ্রহণ করতে পারে।
“২০১৮ সালে রাউল কাস্ত্রোকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে বাদ দিলেও তা কিউবার রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রভাব বৃহৎ হবে না।”
তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা হাভানার শীর্ষ নেতৃত্ব পরিবর্তনের আশায় আছেন। ভেনেজুয়েলায় মাদুরোর জায়গায় ডেলসি রদ্রিগেজকে বসানো হয়েছে, তার মতো কিউবায় নতুন নেতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
আর্থিক চাপে কিউবা পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে
কিউবা প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং ও খাদ্যসংকট অনুভব করছে। অর্থনৈতিক ভাবে তার স্থিতি প্রায় পঙ্গু হয়ে পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে কিউবার নিরাপত্তা ও সামন্ততান্ত্রিক কাঠামো এখনো শক্তিশালী। মার্কিন কর্মকর্তারা কিউবা শাসন বদল করতে চাইছেন, কিন্তু সেটা ততটা সহজ হতে পারে না।
“তিনি বড় কোনো সংঘাতের প্রয়োজন দেখছেন না।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর মধ্যে আলোচনার সাথে সাথে বিবিসি বিশেষজ্ঞদের মতামত দেখা গেছে। তাদের ধারণা অনুযায়ী কিউবার ভবিষ্যৎ তিনটি সম্ভাব্য পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। একটি পরিস্থিতি হলো রাউল কাস্ত্রোকে আমেরিকার আদালতে প্রমাণ করা হতে পারে। আরো একটি হলো হাভানার শীর্ষ নেতৃত্ব পরিবর্তন ঘটানো। তৃতীয় সম্ভাবনা হলো কিউবার পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে।
