Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Betty Rodriguez - patrikajournal.com

Foto : Betty Rodriguez - patrikajournal.com

কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা

Patrikajournal.com – ক উব ঘ র ব ড়ছ ভ - ক্যারিবীয় অঞ্চলে ড্রোন যুদ্ধের বিস্তার এবং পরাশক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৃদ্ধির সাথে সাথে কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কেবল সামরিক হুমকি হিসেবে নয় বরং অসম চাপ, গোয়েন্দা প্রতিযোগিতা এবং ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের একটি নতুন ক্ষেত্র হিসেবে অবতীর্ণ হচ্ছে।

সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ার জোন একটি প্রতিবেদনে সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে যে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ শুরু হওয়ার পর থেকে ক্যারিবীয় অঞ্চলে বহু মার্কিন যুদ্ধবিমান উন্মুক্তভাবে পার্ক করে রাখা হয়েছিল। এর ফলে কিউবা থেকে সম্ভাব্য ড্রোন হামলার মুখে মার্কিন সামরিক সক্ষমতা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধ ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ধ্বংসাত্মক ক্ষমতাকে বিশ্বমঞ্চে প্রমাণ করেছে। ওয়াশিংটন ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ডিসেম্বরের একটি যৌথ প্রতিবেদনে গবেষক ম্যাথিউ ফুনাইওল উল্লেখ করেছেন যে কিউবার বেজুকার, ওয়াজায়, কালাবাজার এবং এল সালাও সাইটগুলোতে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম রয়েছে যা মার্কিন যোগাযোগ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত করতে, স্যাটেলাইটের ওপর নজরদারি চালাতে এবং সামরিক কার্যক্রম ট্র্যাক করতে সক্ষম।

কিউবার কাছাকাছি অবস্থিত চীন ও রাশিয়ার গোয়েন্দা বা নজরদারি ঘাঁটিগুলো মার্কিন নিরাপত্তার জন্য আরেকটি বড় উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার বৃহত্তম বিদেশি সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স সাইট লুর্দেসে রুশ কর্মীদের পুনরায় প্রত্যাবর্তন ওয়াশিংটনের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন ও তার প্রভাব

ওয়াশিংটন ভিত্তিক পত্রিকা স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস জানিয়েছে যে ২০২৫ সালের নভেম্বরে অপারেশন সাউদার্ন স্পিয়ারের সময় যুক্তরাষ্ট্র তার মোট সচল যুদ্ধজাহাজের ২০ শতাংশ ক্যারিবীয় অঞ্চলে মোতায়েন করতে বাধ্য হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে ভূমধ্যসাগর এবং মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলো মার্কিন বিমানবাহী রণতরী শূন্য হয়ে পড়েছিল।

“২০২৬ সালের এপ্রিলে অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ও সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছিল সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ই-৩ সেন্ট্রি কমান্ড অ্যান্ড �