Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কিমের নতুন নির্দেশ, ১০ হাজার টনের যুদ্ধজাহাজ বানাবে উত্তর কোরিয়া | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 6, 2026 · Updated July 21, 2026 · By James Martinez - patrikajournal.com

Foto : James Martinez - patrikajournal.com

কিমের নতুন নির্দেশ: উত্তর কোরিয়া তৈরি করছে ১০ হাজার টনের যুদ্ধজাহাজ

Patrikajournal.com – ক ম র নত ন ন র - ২০২৬ সালের পরিকল্পনা অনুযায়ী উত্তর কোরিয়া তার সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি ১০ হাজার টনের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে নতুন নির্দেশ জারি করেছে। কিম জং উন এই বিষয়ে মন্তব্য করেন যে যুদ্ধজাহাজ উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে রোদং সিনমুন গণমাধ্যম উল্লেখ করে যে কিমের দৃষ্টিভূমি থেকে উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মতো এই মহাকাশ জাহাজের নির্মাণে প্রবৃদ্ধি ঘটছে।

সামরিক অগ্রগতি ও নির্মাণ কাজের প্রক্রিয়া

উত্তর কোরিয়া সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য তার কন্যাকে যুদ্ধজাহাজ পরিদর্শনে নিয়ে গেছেন কিম জং উন। কিমের পরিদর্শনের পর উত্তর কোরিয়া নৌ বাহিনী এই জাহাজ তৈরি করার জন্য তার কঠোর প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে। গত বছর মে মাসে চংজিন বন্দরে একটি ৫ হাজার টনের ডেস্ট্রয়ার উদ্বোধন করা হয়েছিল কিন্তু সেটি উল্টে যাওয়ার ঘটনার পর পুনরুদ্বোধনের জন্য সময় নেয়া হয়।

রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র রোদং সিনমুন গণমাধ্যমের ছবিতে দেখা গেছে যে উত্তর কোরিয়া এবার পুরো সামরিক ব্যবস্থার ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কাজ করছে। সামরিক ক্ষেত্রে কিমের আবেদন অনুযায়ী এই যুদ্ধজাহাজ তৈরির মাধ্যমে স্থল, আকাশ ও সমুদ্র তিন ক্ষেত্রে শক্তিশালী ক্ষমতা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে উত্তর কোরিয়া এই নতুন যুদ্ধজাহাজের বিষয়ে গোপন প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। এর পরিকল্পনা স্থায়ী করা হয়েছে যাতে সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলার জন্য উত্তর কোরিয়া আরও সক্ষম হবে। এই যুদ্ধজাহাজের নির্মাণ বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্ব প্রকাশ করে।

উত্তর কোরিয়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দ্বিতীয় সফর ঘটানোর প্রেক্ষাপটে নৌ সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এখন পর্যন্ত জাহাজটি কাং কন নামে বানানো হয়েছে এবং সেটি উত্তর কোরিয়া সামরিক ক্ষেত্রে নতুন উৎসর্গ করছে।

বিশ্লেষকদের মতে এই নতুন যুদ্ধজাহাজ কিমের আবেদন অনুযায়ী নৌ বাহিনীকে সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলার বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। যুদ্ধজাহাজ উত্তর কোরিয়ার সামরিক ক্ষমতার বৃদ্ধি প্রকাশ করার সাথে সাথে সম্পর্ক বাড়ানো এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করতে পারে।