News

কেনেডি সেন্টার থেকে ট্রাম্পের নাম মুছে ফেলার নির্দেশ মার্কিন আদালতের | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

কেনেডি সেন্টার থেকে ট্রাম্পের নাম মুছে ফেলার নির্দেশ মার্কিন আদালতের ওয়াশিংটন ডিসির জেলা বিচারকের আদেশ ক ন ড স ন ট র - প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম

Desk News
Published May 30, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

কেনেডি সেন্টার থেকে ট্রাম্পের নাম মুছে ফেলার নির্দেশ মার্কিন আদালতের

ওয়াশিংটন ডিসির জেলা বিচারকের আদেশ

ক ন ড স ন ট র – প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম কেনেডি সেন্টার থেকে মুছে ফেলার আদেশ জারি করেছেন ওয়াশিংটন ডিসির এক জেলা বিচারক। স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে সেন্টারে বন্ধ করার প্রস্তাব থেকে এবং নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব থেকেও। বিচারকের আদেশ অনুযায়ী, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ভবনের গায়ে ও আশপাশের সাইনবোর্ড থেকে ট্রাম্পের নাম মুছে ফেলতে হবে।

ট্রাম্পের উদ্যোগ এবং কংগ্রেসের ভূমিকা

৯৪ পৃষ্ঠার এই রায়ে বিচারক ক্রিস্টোফার আর কুপার লেখেন, ‘আদালত বোর্ডের আইনি সীমান্ত লঙ্ঘন করেছে যার মাধ্যমে কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন করা হয়েছিল।’ তিনি উল্লেখ করেন, কংগ্রেস ছিল কেনেডি সেন্টারের নাম দান করার সর্বশেষ সিদ্ধান্ত করেছিল এবং এর দ্বারা তা পরিবর্তন করতে পারে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প কেনেডি সেন্টারের কয়েকজন বোর্ড সদস্যকে বরখাস্ত করেছিলেন এবং নিজের পছন্দের লোকদের নিয়োগ দিয়েছিলেন।

ট্রাম্পের মন্তব্য

শুক্রবার রাতে ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প এক পোস্টে বলেন, ‘আমি যে কাজটি অন্য যেকোনো মানুষের চেয়ে ভালো পারি, তা করার স্বাধীনতা যদি আমার না থাকে, তবে এই পবিত্র স্থানটিকে অপবিত্র করেছেন আমি নিজের অহংকার মেটাতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাণিজ্য বিভাগ কেনেডি সেন্টারের নিয়ন্ত্রণ কংগ্রেসের কাছে হস্তান্তর করবে।’

অভিযোগ ও আদালতের রায়

জয়েস বিটির মামলার ভিত্তিতে আদালত এই রায় দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, কেনেডি সেন্টারের উপবিধি সংশোধন করে তার ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নাম পরিবর্তনের কোনো ‘আইনি ভিত্তি’ ছিল না।’

এর আগে বোর্ডে ৩৬ জন সদস্য ছিল, যাদের প্রত্যেকের সদস্যতা সময়সীমা ছিল দুই বছর। নতুন বোর্ড ট্রাম্পকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে এবং সংস্কারের প্রস্তাব অনুমোদন করে। কেনেডি সেন্টারের মুখপাত্র রোমা দারাভি বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী যে আপিলে আদালত বোর্ডের সিদ্ধান্তকে বহাল রাখবেন। আমাদের জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঐতিহাসিক অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার ইচ্ছাই এর মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমরা আদালতের সিদ্ধান্তটি খুব সতর্কভাবে পর্যালোচনা করব। তবে বাস্তব পরিস্থিতি হলো—জরুরি ভিত্তিতে সেন্টারের ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।’

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ২৩ মিনিট আগে | ই

Leave a Comment