প্রতিমন্ত্রী টুকু কোরবানির বর্জ্য অপসারণে মাঠে নামলেন
ক রব ন র বর জ য – বাংলাদেশে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে মাঠে নামলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। টাঙ্গাইল শহরে আজ শুক্রবার (২৯ মে) সকালে এ কার্যক্রম প্রারম্ভ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য কোরবানির বর্জ্য দ্রুত কার্যকরভাবে অপসারণ করা এবং শহরটি পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখা। প্রতিমন্ত্রী টুকু কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করেছেন। এ বিষয়ে বর্তমান সংবাদ প্রতিদিন বাংলাদেশ প্রতিদিন বরাবর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করছে।
প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে শহর পরিষ্কার করার প্রচেষ্টা
উদ্বোধনের পর প্রতিমন্ত্রী টুকু শহরের বেবিস্ট্যান্ড মাদ্রাসা মাঠ থেকে থানা মোড় এবং বাজার এলাকার প্রধান সড়কগুলোতে পরিষ্কার কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ কর্মসূচিতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের অর্ধশতাধিক সদস্য অংশ গ্রহণ করেছেন যারা ঝাড়ু ও বিভিন্ন সরঞ্জাম সহ বর্জ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োগ পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোরবানির বর্জ্য মার্কিন সড়ক ও স্থানীয় জায়গার কাছে অবিস্মরণীয় ভাবে উপস্থিত হচ্ছে যা নগর অবস্থার সুন্দরতা ও স্বাস্থ্যকে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।
সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ শাফী ইথেন জানান, প্রতিমন্ত্রী টুকুর নেতৃত্বে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্পর্কিত এ কার্যক্রম আমাদের অধীনে প্রারম্ভ করা হয়েছে। তিনি দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে আজকের মধ্যে টাঙ্গাইল শহরের বর্জ্য পুনর্নবীন করা সম্ভব হবে।
এ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কোরবানির বর্জ্য সংগ্রহ করার জন্য সম্প্রতি সংগঠিত হয়েছে পৌরসভার সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোরবানির বর্জ্য সম্পর্কিত সমস্যা সম্পূর্ণ অপসারণের জন্য সম্প্রতি শহরের জনসাধারণের সম্মতি প্রাপ্তি ও সহযোগিতা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা করেন এ কার্যক্রম দ্বারা মানুষকে পরিচ্ছন্নতার মূল্য বুঝতে সাহায্য করবে এবং কোরবানির বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ও সংগ্রহ প্রক্রিয়া আরও সফল হবে।
পরিচ্ছন্নতার অভিযান কোন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে?
টাঙ্গাইল শহরে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্পর্কিত এ কার্যক্রমের মাধ্যমে কর্মসূচি চালানো হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, বর্তমানে শহরের সড়কগুলোতে প্রতিদিন পশু বর্জ্যের কারণে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কোরবানির বর্জ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করা এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য। তিনি এ বিষয়ে বর্তমান শহর পরিচ্ছন্নতার মান উন্নত করার জন্য বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আয়োজকদের মতে কোরবানির ঈদের পর শহরের বিভিন্ন অংশে বর্জ্য জনদুর্ভোগ প্রাপ্তি হয়। পৌরসভার অধীনে শহর পরিষ্কার করা অল্প স
