কোরবানি পশুর আবাসিক হোটেল | বাংলাদেশ প্রতিদিন
ক রব ন পশ র আব স – চুয়াডাঙ্গায় একটি নতুন আবাসিক হোটেল কাম ওয়্যার হাউস খোলা হয়েছে, যেখানে হাট থেকে কেনা গরুগুলোকে বিশ্রাম ও খাবারের জন্য স্থান দেওয়া হয়েছে। সেই হোটেলটি ডুগডুগি হাটে আরিফুল ইসলাম গড়ে তুলেছেন। গবাদি পশুর এ স্থানে ক্রেতাদের মধ্যে আরও উৎসাহ জাগিয়েছে।
প্রাক কোরবানির সময় হাটে আসা গরুগুলোকে ছাদে গোসল বা খাবারের জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থান ছিল না। তাদের ব্যবসায়ী বা ব্যাপারীরা স্থান সংগ্রামে পড়তেন। গরুগুলো জমা করে রাখা হতো বিভিন্ন ঝামেলায়। ব্যাপারীদের বাড়িতে পশু রাখার স্থান থাকে না বলে তাদের অসুবিধা হতো।
আরিফুল বলেন, গবাদি পশুর জন্য হোটেলে হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা বাড়তি সুবিধা পাবে।
গবাদি পশুর হোটেলে একটি গরু এক দিনের জন্য রাখলে সে ব্যবস্থা করা হয় গোসল-খাওয়া এবং নিরাপত্তার জন্য। দৈনিক খরচ হয় গরুর ওজনের উপর ভিত্তি করে। ৩০০ কেজির নিচের পশুর দৈনিক খরচ ৫০০ টাকা এবং ৩০০ কেজির ঊর্ধ্বে গরুর জন্য দৈনিক ৭০০ টাকা হয়।
চট্টগ্রামের ব্যাপারী আবদুল জব্বার বলেন, দেশের সব গবাদি পশুর হাটেই মানুষের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু চুয়াডাঙ্গাতেই প্রথম গবাদি পশুর জন্য হোটেল কাম ওয়্যার হাউস করা হয়েছে।
ডুগডুগি গ্রামের গরু খামারি আরিফুল গবাদি পশুর হোটেল কাম ওয়্যার হাউস গড়ে তুলেছেন যার কারণে হাটসংশ্লিষ্টরা সুবিধার প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। এসব ব্যবস্থা করতে তিনি একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতা নিয়েছেন।
জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ডুগডুগি হাটে প্রতি দিন প্রায় ৪/৫টি পশু বিক্রি হয়। গত সময়ে তা হাটে বিশ্রাম বা খাবারের জন্য কোনো স্থান ছিল না। সেখানে পশুগুলো নোংরা স্থানে রাখা হতো। ক্রেতারা এক হাটে সম্পূর্ণ চাহিদা মতো গরু কিনতে পারতেন না।
গবাদি পশুর হোটেলের স্থাপন সম্পর্কে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কর্মী আনোয়ার পারভেজ বলেন, এটি ক্রেতা ও বিক্রেতার জন্য আরও সুবিধাজনক হবে।
আবাসিক হোটেল কাম ওয়্যার হাউসের স্থাপন ব্যবস্থা করা হয়েছে পশুগুলোকে সংগ্রহ ও সরবরাহ করার সময় তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। হাটে আসা গরুগুলো অনুপ্রাণিত হবে এই পরিবেশে।
গবাদি পশুর আবাসিক হো
