Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

খুবিতে স্বাক্ষর জাল করে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

Foto : Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

খুবিতে স্বাক্ষর জাল করে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায়ি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

Patrikajournal.com – খ ব ত স ব ক ষর - খ ব ত স ব ক ক্ষেত্রে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসুফ রায়হান বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুসারে, তিনি ছাত্রদের সেমিস্টার ফি এবং পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার জন্য স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন। আত্মসাতের ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য এখন প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ইউসুফ রায়হান কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন এবং এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্ব্যবহার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্সর কমিটি তদন্ত করছে।

অভিযোগের প্রকৃতি ও ক্ষেত্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

খ ব ত স ব ক ক্ষেত্রে আত্মসাতের ঘটনার প্রকৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুসারে, ইউসুফ রায়হান ছাত্রদের প্রবেশ পত্র ও স্বাক্ষর জাল করে কর্মকর্তার তরফে ব্যাংক থেকে টাকা নিয়েছেন। পুনরায় আত্মসাত করা হয়েছে যে এই টাকা ছাত্রদের প্রবেশ পত্র ও পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ঘটনার কারণে ছাত্রদের জন্য পরিচিত স্বাক্ষর ব্যবস্থা বিকৃত হয়েছে। এটি ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মো. নূর আলম স্বাক্ষর বিস্তার প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিচিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিস্তারিত বিবরণ

খ ব ত স ব ক ক্ষেত্রে আত্মসাতের ঘটনার প্রকৃতি বিশদ করে বলা হয়েছে। অভিযোগে জানা গেছে যে, ইউসুফ রায়হান ছাত্রদের স্বাক্ষর জাল করে নিজের প্রয়োজনে টাকা সংগ্রহ করেছেন। এই টাকা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে প্রবেশ করেছে। বিষয়টি প্রমাণের জন্য এখন খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়া চলছে। আত্মসাত ঘটনার পর থেকে ইউসুফ রায়হান কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

তদন্ত প্রক্রিয়া এবং অপরাধের প্রকৃতি

খ ব ত স ব ক ক্ষেত্রে আত্মসাত ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানানো হয়েছে। ছাত্রদের প্রবেশ পত্র ও ফি পরিশোধের কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল এই টাকা। তদন্ত কমিটি এই ক্ষেত্রে বিশদ তথ্য সংগ্রহ করছে এবং অপরাধের প্রকৃতি খতিয়ে দেখছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্সর কমিটি বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তদন্ত চালাচ্ছে।

ছাত্রদের স্বাক্ষর ব্যবস্থার ক্ষতি

খ ব ত স ব ক ক্ষেত্রে আত্মসাত ঘটনার প্রকৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। ছাত্রদের পরিচিত স্বাক্ষর ব্যবস্থা বিকৃত হয়েছে এবং এই ঘটনার ফলে তাদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি