ময়মনসিংহে চাঁদা না দেওয়ায় হামলার ঘটনা
চ দ ন দ ওয় য় ব – বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলায় একটি ব্যাংক কর্মকর্তা এবং তার স্ত্রী বাড়ি নির্মাণের জন্য চাঁদা দেওয়ার পরিবর্তে স্থানীয় একটি সিন্ডিকেটের কাছ থেকে মালামাল কিনতে রাজি হননি। এ কারণে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর জেলা পুলিশ তদন্ন শুরু করে।
হামলার প্রতিবাদী সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তার
গত সোমবার থানায় মামলা করা হয়েছিল কিন্তু বুধবার রাতে প্রধান অভিযুক্ত মো. সাইফুল ইসলাম (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নগরের বলাশপুর কলমিস্ত্রি মোড় এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। গত বুধবার (১৭ জুন) রাতে তাকে ত্রিশাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নজরুল ইসলাম শেরপুরের বাসিন্দা। তিনি ময়মনসিংহ নগরে চরপাড়া জনতা ব্যাংকে কর্মরত। ২০২৩ সালে তার নগরে ময়নার মোড় এলাকায় চার শতক জমি কিনে পাঁচতলা ভবনের ভিত্তি নির্মাণ শুরু করেন। ছয় থেকে সাত মাস ধরে কাজ চলছিল। স্থানীয় সাইফুল ইসলাম একটি দল নিয়ে ভবন নির্মাণে ব্যবহৃত মালামাল কিনতে তাকে প্রস্তাব দেন। কিন্তু নজরুল ইসলাম নিজ পছন্দমতো মালামাল কিনে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য চাঁদা দেওয়ার প্রতিবাদ করেন।
হামলার পরিস্থিতি ও আহতদের অবস্থা
গত রবিবার বিকেলে নজরুল ইসলাম বাসায় গিয়ে তাদের কাছ থেকে মালামাল নিতে বলা হলে তিনি রাজি হননি। এর জেরে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাসুমা হায়াত, ভাই আজিজুল ইসলাম এবং প্রতিবেশী সাকিম আহম্মেদ আহত হন। হামলাকারীদের অভিযোগ রয়েছে সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে সাকিম আহম্মেদের মাথায় আঘাত করা হয়েছে।
“আমি ব্যাংক ঋণ নিয়ে বাড়ি করছি। চাঁদা দিতে হবে, না হলে কাজ দিতে হবে বলে তারা আমাকে হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু এভাবে আক্রমণের শিকার হব, এটা কখনোই আমার কল্পনার বাইরে ছিল। আমি এটার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
হামলার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় সম্প্রদায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে। ফুটেজে দেখা যায় প্রথমে তিনজন হামলাকারী এসে দাঁড়িয়ে থাকা তিনজনের ওপর আকস্মিক হামলা চালায়। পরে আরও তিনজন হামলায় যোগ দেন। হামলাকারীদের কাছে সুইচ গিয়ার চাকু পরিচিত। এতে ব্যাংক কর্মকর্তা ও তার স্ত্রী চাঁদা না দেওয়ায় মারধর করেন।
পুলিশ তদন্নের পর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। সাইফুল ইসলাম হ
