Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চীনের বিরুদ্ধে ভারতের ‘হরমুজ কার্ড’ হতে যাচ্ছে গ্রেট নিকোবর? | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 3, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Betty Moore - patrikajournal.com

Foto : Betty Moore - patrikajournal.com

ভারতের নতুন প্রকল্প: গ্রেট নিকোবর কীভাবে হরমুজ কার্ড হতে পারে

Patrikajournal.com – চ ন র ব র দ ধ - মোদি সরকার গ্রেট নিকোবর দ্বীপে জাতীয় নিরাপত্তা ও আর্থিক বিস্তারের জন্য একটি বৃহৎ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছেন। প্রকল্পটি মালাক্কা প্রণালীর পশ্চিম প্রবেশপথে অবস্থিত এই দ্বীপকে সামুদ্রিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বিকাশের উদ্দেশ্যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এটি ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং উপকূলে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার অনেক কাছাকাছি।

মহাসাগরীয় সামুদ্রিক বাণিজ্যপথে বিপুল পরিমাণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং তেল আমদানি সংক্রান্ত কাজ সম্পাদনের জন্য গ্রেট নিকোবর প্রণালী দিয়ে প্রবাহিত হয়। বিশ্বের প্রায় এক তৃতীয়াংশ সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং তেলের একটি বড় অংশ এই প্রণালী দিয়ে চলে। চীন এর ওপর খুব গুরুত্ব দেয়। দেশটির প্রায় ৮০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং দুই-তৃতীয়াংশ বৈদেশিক বাণিজ্য এই পথের ওপর নির্ভরশীল।

ভারতের আক্রমণ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান

ভারতীয় নৌ বাহিনীর সাবেক ভাইস চিফ শেখর সিনহা বলেন, “গ্রেট নিকোবর মালাক্কা প্রণালীর মুখে অবস্থান করছে। এখান থেকে সমস্ত ধরনের জাহাজের প্রবেশ ও প্রত্যাগমন নজরদারি করা সম্ভব। এটি ভারতের সামুদ্রিক কর্তৃত্ব জোরদার করবে।” বিশ্লেষকদের মতে, গ্রেট নিকোবর চীনের বিরুদ্ধে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান সৃষ্টি করতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালীর ইরানের প্রভাবের সাথে তুলনীয়।

সরকার গ্রেট নিকোবরে ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর, সামরিক বিমানবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, পর্যটন সুবিধা এবং সাড়ে তিন লাখ মানুষের জন্য নতুন জনপদ নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১.১ ট্রিলিয়ন ডলার, যা প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার। তবে রাজনৈতিক অঙ্গন, পরিবেশবিদ ও আদিবাসী সংগঠনের মধ্যে তীব্র বিরোধিতা তৈরি হয়েছে।

পরিবেশ ও সামাজিক বিতর্ক

প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর থেকেই পরিবেশবিদদের চিন্তা বিস্তারের মুখে পড়েছে। দ্বীপটির মোট আয়তনের প্রায় ১৬ শতাংশ এলাকা প্রকল্পের অংশ। প্রায় অর্ধেক অংশ আদিবাসী সংরক্ষিত এলাকার অন্তর্ভুক্ত। ভারতের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯ লাখ ৬৪ হাজার গাছ কাটা হবে। আগামী তিন দশকে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার নতুন বাসিন্দা বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমান জনসংখ্যা ১০ হাজারের কম। এর ফলে জনসংখ্যা প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে।

প্রকল্পটি ভূমিকম্প-ঝুঁকি পূর্ণ অঞ্চলের একটি। সিসমিক জোন-৫ এর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি বিপর্যয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ২০০৪ সালের ভয়াবহ সুনামির সময় দ্বীপটির দক্ষিণাংশ প্রায় ৪ দশমিক ২৫ �