চুয়াডাঙ্গায় পিকআপের ধাক্কায় কৃষক নিহত | | বাংলাদেশ প্রতিদিন
আঘাতে মৃত্যুর ঘটনা সংঘটিত হয়েছে চুয়াডাঙ্গার পরিচিত এলাকায়
চ য় ড ঙ গ য় প – চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার ভান্ডারদোয়া এলাকায় রবিবার সকালে একটি মূল্যবান দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, পিকআপ কার্গো ভান্ডারদোয়া গ্রামের কৃষক মোজাম হোসেন (৫৫) কে ধাক্কা দেয় এবং তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মোজাম হোসেন পিকআপের সামনে যাওয়ার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গা মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। তিনি স্থানীয় বাড়িতে কৃষক হিসেবে কাজ করতেন এবং মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে ছিলেন। ঘটনাটি ঘটার পর তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তার মৃত্যু ঘোষণা করেন।
অত্যন্ত সংকটপ্রবণ পরিস্থিতির সাক্ষাৎকার
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার পর পিকআপটি পালিয়ে যায়। কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার স্থানে কোনো সাক্ষী থাকার কথা জানা গেছে। পরিবার ব্যক্তি ছাড়া কোনো সংঘটনা পরিচয়ের তথ্য দেয়নি। তবে চুয়াডাঙ্গার মানুষদের মধ্যে মোজাম হোসেন সাধারণত সাবধানতা প্রদর্শন করেন এবং পথের সুবিধা বর্ণনা করেন। তিনি দুর্ঘটনার পর পিকআপটি আঘাত করেছিল কিনা তা স্পষ্ট হয়নি।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিচালনা করে পৌর আধিকারিক সূত্রে জানা গেছে, মোজাম হোসেন নিজের খাবার নিয়ে বাজারে যাওয়ার জন্য পথে বের হন। তিনি চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে নিহত হন। তার পরিবার অত্যন্ত দুঃখিত হয়ে স্থানীয় মানুষদের প্রতি আবেগ প্রকাশ করেন। চুয়াডাঙ্গার পরিবেশ ও চাষাবাদী সম্প্রদায়ের অনেকে ঘটনার পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করছেন। এটি চুয়াডাঙ্গার কৃষকদের উপর আঘাত করেছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক মিজানুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার পর পিকআপটি কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে মোজাম হোসেন এলাকার মানুষদের কাছে অনেক আত্মীয় ছিলেন। চুয়াডাঙ্গার মানুষের জন্য তার মৃত্যু একটি গুরুতর সংঘটনা বিবেচনা করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গার পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করার পর এলাকার মানুষ দুর্ঘটনার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করছেন। তারা চুয়াডাঙ্গার পরিবেশ ও চাষাবাদী জীবনে আঘাত হওয়া সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছেন।
চুয়াডাঙ্গার মানুষ দুঃখ প্রকাশ করছেন
চুয়াডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দারা মোজাম হোসেনের মৃত্যুর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছেন। তারা বলছেন যে চুয়াডাঙ্গার পথে পরিচিত মানুষ ছিলেন যারা নিজের কাজে অনেক দূর পর্যন্ত যেতেন। চুয়াডাঙ্গার মানুষদের মধ্যে তার নিহত হওয়া একটি আঘাত ছিল। তার পরিবার এবং সম্প্রদায�
