ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানি পরিচয় দেয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা
চ তন য় অমল ন হ ক – প্রতি বছর কোরবানি পাঁচটি মৌলিক শিক্ষা আমাদের জন্য প্রদান করে। ইনশাআল্লাহ আমরা তাদের মধ্যে একটি হলো আল্লাহর হুকুমে অমলিন আত্মসমর্পণ। সেই শিক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে ইবরাহিম (আ.) ও ইসমাইল (আ.) কার আত্মসমর্পণ ছিল আল্লাহর প্রেমে নিবেদিত। তাঁদের জীবনের প্রতিটি ধাপ ছিল স্নিগ্ধ সৌরভে ভরপূর। আল্লাহ তাঁদের কোরবানির বিষয়টি কোরআন মাজিদে সুনিপুণভাবে বর্ণনা করেছেন।
প্রথম শিক্ষা: আল্লাহর নির্দেশ অনুসারে অমলিন আত্মসমর্পণ
সুরা সাফফাত-১০২-১০৭ এ ঘটনার বিবরণ দেখা যায়। তখন ইবরাহিম (আ.) তাঁর পুত্র ইসমাইল (আ.)-কে জবাহ করতে প্রস্তুত হন। পুত্র বলেন, “আব্বাজি! আপনার নির্দেশ অনুসারে আমি করব। ইনশাআল্লাহ আপনি আমাকে সৎকর্মশীলদের একজন পাবেন।” অবশেষে তারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করেন এবং পিতা পুত্রকে কাত করে শুইয়ে দেন। আল্লাহ তাকে মুক্ত করেন মহান কোরবানির বিনিময়ে।
দ্বিতীয় শিক্ষা: হৃদয়ে তাকওয়ার অনুসরণ
তাকওয়া শব্দের অর্থ হল সতর্কতা ও সত্যের প্রতি বুদ্ধিমান চিন্তা। সুরা হজ-৩৭-এ আল্লাহ বলেন, “আল্লাহর কাছে কোরবানির পশুর গোশত ও রক্ত পৌঁছে না, তাদের তাকওয়া পৌঁছে থাকে।” উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) এ বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছিলেন নিম্নলিখিত কথাগুলি বলে।
“একবার আমিরুল মুমিনিন হজরত উমর (রা.) হজরত উবাই ইবনে কাব (রা.)-কে প্রশ্ন করেন, আপনি কি কাঁটাযুক্ত ঝোপঝাড় দিয়ে পথ চলেন? তিনি উত্তর দেন, ‘হ্যাঁ, আমি কাপড় টেনে সতর্কতার সঙ্গে চলি, যাতে গায়ে কাঁটা না লাগে।’”
এটি ছিল তাকওয়ার সংজ্ঞা। অর্থাৎ দুনিয়াতে সব সময় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা।
তৃতীয় শিক্ষা: সবরকারীদের জন্য আল্লাহর প্রেরণা
আল্লাহ তাকে বলেন, “আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও মরণ কেবল আমার জন্য হয়।” সুরা আনআম-১৬২-এ এ বিষয়টি ঘোষণা করা হয়েছে। কোরবানি আমাদের সবরকারীদের জন্য আল্লাহর প্রতি সম্মান ও অনুসরণের প্রমাণ।
চতুর্থ শিক্ষা: দুস্থ মিসকিনদের প্রতি দায়িত্ব
সুরা হজ-২৮-এ আল্লাহ বলেন, “তোমরা খাও এবং দুস্থ গরিবদের খাওয়াও।” এটি অসহায় মানুষের প্রত
