Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

জবাইয়ে কড়াকড়ি, পশ্চিমবঙ্গে চিড়িয়াখানার বাঘও পাচ্ছে না গরু-মহিষের মাংস | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 22, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Betty Rodriguez - patrikajournal.com

Foto : Betty Rodriguez - patrikajournal.com

পশ্চিমবঙ্গে জব ইয় কড় কড় পশ চ: বাঘের খাদ্য সংকট বৃদ্ধি

Patrikajournal.com – জব ইয় কড় কড় পশ চ মবঙ - পশ্চিমবঙ্গে জব ইয় কড় কড় পশ চ বিধিনিষেধের কারণে চিড়িয়াখানার বাঘ এবং সাফারি পার্কের মাংসাশী প্রাণীদের জন্য গরু-মহিষের মাংস সরবরাহে গুরুতর সমস্যা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে জবাই নিষিদ্ধ করায় মাংসের দাম দেড়শ থেকে দুইশ রুপি পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহও কমে গেছে বলে তথ্য অনুযায়ী, মাংসাশী প্রাণীদের নির্দিষ্ট খাদ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

প্রাণীদের খাদ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা বৃদ্ধি

গরু ও মহিষ জবাই বন্ধ হওয়ায় সাফারি পার্কগুলো তাদের প্রাণীদের খাদ্য সরবরাহ করতে সমস্যায় পড়েছে। প্রতিদিন চিড়িয়াখানার ১১টি রয়্যাল বেঙ্গল বাঘ, তিনটি চিতাবাঘ এবং কুমির ও ঘড়িয়াল সহ মোট ২৫টি মাংসাশী প্রাণীর জন্য ৩০০ থেকে ৫০০ কেজি গরু-মহিষ মাংস প্রয়োজন। তবে সরবরাহ কমে গেছে বলে কয়েকটি ক্ষেত্রে খাদ্য সংকট হচ্ছে।

জবাই নিষিদ্ধের প্রভাব: বাঘের খাদ্য ব্যবস্থা বিপন্ন

সলিটরি নেচার অ্যান্ড অ্যানিম্যাল প্রোটেকশনের সম্পাদক কৌস্তভ চৌধুরী জানান, গরু ও মহিষ জবাই বন্ধ হওয়ায় বাঘ ও চিতাবাঘ তাদের শিকার করতে পারে না। এ কারণে তাদের জন্য খাদ্য নিশ্চিত করা জরুরি।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার গরু ও মহিষ জবাই নিষিদ্ধ করেছে এবং বিশেষ নিয়ম আরোপ করেছে। গরুর বয়স কমপক্ষে ১৪ বছর হতে হবে এবং তাদের কর্ম ও প্রজনন ক্ষমতা থাকতে হবে। শীতকালে একটি বাঘ বা আমেরিকান চিতার দিনে ১০ থেকে ১২ কেজি লাল মাংস প্রয়োজন।

প্রতিক্রিয়া ও প্রতিকার ব্যবস্থা

প্রাণীদের খাদ্য সংকটের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জব ইয় কড় কড় পশ চ এর প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে সরকার স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ চালু করেছে। মুরগি, শূকর ও ছাগলের মাংস ব্যবহার করার পরিকল্পনা প্রস্তুত হচ্ছে বলে জানান প্রধান কর্মকর্তা তৃপ্তি শাহ।

বিষয়টি পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে চলছে। অনেক স্থানে জবাই বন্ধ করায় মাংস সরবরাহের পরিমান কমে গেছে এবং এ কারণে চিড়িয়াখানার প্রাণীদের খাদ্য সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। এখনও সমস্যার সমাধান করা হয়নি বলে মনে হচ্ছে।

জবাই নিষিদ্ধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে সামগ্রিক মাংস সরবরাহ বৃদ্ধি করার জন্য নতুন উপায় বিচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকার প্রতিকার ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে এবং উপযুক্ত পরিমাণ মাংস প্রদান করার জন্য নতুন করে উপায় খুঁজছে।