জিয়াউর রহমান এবং বাংলাদেশকে কোনোভাবেই আলাদা করা সম্ভব নয়
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য
জ য় উর রহম ন এব ব – আজ রবিবার (৩১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট (কেআইবি) মিলনায়তনে সংগঠিত আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জিয়াউর রহমান এবং বাংলাদেশের অপরিচ্ছেদ্য সম্পর্ক সম্পর্কে বলেন, দুটি সত্তা একত্রে অস্তিত্ব হারাবার সম্ভব নয়। তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ধের আহ্বান জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়ে হয়েছিল এবং সেই যুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিল।
জিয়াউর রহমান এবং বাংলাদেশকে কোনোভাবেই আলাদা করা সম্ভব নয়। কারণ তাঁর ঘোষণার মাধ্যমেই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল এবং সেই যুদ্ধ দ্বারা রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের সংস্কার ঘটেছিল।
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কিছু শক্তি সংস্কার সম্পর্কে চোখ রাখছে, কিন্তু তাদের কথা কেবল রাজনৈতিক বিশ্বাস নয় বলে জানান মির্জা ফখরুল।
সংস্কারের জন্ম তো বিএনপি এবং শহীদ জিয়ার হাত ধরেই হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীনতা ঘোষণার মাধ্যমে রাষ্ট্রনায়ক সততা ছিল কিংবদন্তি সমান এবং তাঁর মধ্যে একটি অপরিহার্য গুণ ছিল, যা তাঁর শত্রুদেরও স্বীকার করতে হয়েছিল।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের অবদানে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় গড়ে উঠেছিল। ভাষা এক হলেও ভূখণ্ড ও জাতীয় ভাবনা দ্বারা তিনি একটি নতুন পরিচয় গৃহীত হয়েছিল।
আমরা সবাই জানি কৃষি খাল খনন কর্মসূচির কথা, কিন্তু গবেষণার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান অনন্য ছিল। উচ্চ ফলনশীল ধানের বীজ এনে তিনি দেশে এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন যেটি ফলে ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ খাদ্য রপ্তানি শুরু করেছিল।
বর্তমানে মুক্তবাজার অর্থনীতির বিশেষ ভিত্তি হিসেবে গার্মেন্টস শিল্প ও বিদেশে জনশক্তি রপ্ত
