Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানিতে নতুন আইন আনছে কানাডা | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Jones - patrikajournal.com

Foto : Karen Jones - patrikajournal.com

কানাডা শুরু করেছে জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি নিয়ন্ত্রণের নতুন পদক্ষেপ

Patrikajournal.com – জ রপ র বক শ রম ত - ১২ জুন শুক্রবার কানাডা পার্লামেন্টে বিল সি-৩৫ হিসেবে প্রস্তাবিত আইনটি উত্থাপন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আননডের সংসদীয় সচিব রব এলিফ্যান্ট। তিনি বলেন, এটি একটি ‘কানাডীয় সমাধান’ যা আন্তর্জাতিক সমস্যার মোকাবিলা করতে তৈরি করা হয়েছে। নতুন আইন অনুসারে আমদানি করা পণ্যগুলির ক্ষেত্রে কনটেইনার পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তিত হবে। এখন পরিচালনা করা হবে স্পেশাল ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের তালিকা ধরে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে তল্লাশি।

আইনে জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের একটি সার্বজনীন তালিকা প্রকাশ করা হবে, যার জন্য কানাডার দূতাবাস এবং গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য ব্যবহার করা হবে। প্রমাণ দেখানোর দায়িত্ব আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের উপর থাকবে। সরকার দাবি করেন, এ আইন মেক্সিকো এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রস্তাবিত নীতিমালার সামঞ্জস্যতা স্থাপন করবে।

‘সস্তা পণ্য জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি হয়ে কানাডা বাজারে ঢুকুক, আমরা তা চাই না।’

বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টি অফ কানাডা এর পররাষ্ট্র বিষয়ক সমালোচক মাইকেল চং বিলটিকে সমর্থন করেন কিন্তু বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ আগে নেয়া উচিত ছিল। বিলটি এখন সংসদীয় পর্যালোচনা এবং জনপরামর্শের মধ্য দিয়ে যাবে। গ্রীষ্মকালীন বিরতির আগে এটি পাস হওয়ার সম্ভাবনা কম হলেও মানবাধিকার ও ন্যায্য বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হচ্ছে।

বর্তমানে কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি এলোমেলো বাছাই করে কনটেইনার পরীক্ষা করে। নতুন আইন কার্যকর হলে সীমান্ত কর্মকর্তারা ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যগুলির তালিকা নিয়ে আরও লক্ষ্যভিত্তিক তল্লাশি চালাতে পারবেন। প্রস্তাবিত আইনে অনুমোদিত অঞ্চল থেকে আমদানি করা পণ্যের ক্ষেত্রে আমদানিকারকে প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক হবে যে তাদের পণ্য আধুনিক দাসত্ব বা জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি হয়নি।

আমদানি নিয়ন্ত্রণের নতুন সিস্টেম পরিচালনা করতে কানাডা সরকার এমন কনটেইনার পরীক্ষা করবেন যা প্রস্তাবিত ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যগুলি চিহ্নিত করতে সক্ষম হবে। সরকারের দাবি অনুযায়ী এ আইন আন্তর্জাতিক নীতিমালা এবং বাণিজ্যিক নৈতিকতার মূল্যায়ন করতে সহায়তা করবে।

সামাজিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডা প্রস্তাবিত যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক হুমকির প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ বিল প্রস্তাব করেছে। এ উদ্যোগ দ্বারা শ্রমিকদের হুমকি দূর করার প্রচেষ্টা করা হবে।