Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 23, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Davis - patrikajournal.com

Foto : Mary Davis - patrikajournal.com

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

Patrikajournal.com – ট ন ব ষ ট ও উজ - উজানের ঢল এবং নিত্যবর্ষণের কারণে তিস্তা নদীর পানি তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইতোমধ্যে পানির চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় তিস্তার পানি দুই মিটার সেন্টিমিটার উঠেছে, যা বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। সকাল ৯টায় পানির প্রবাহ বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচে ছিল, তবে এখন সেই স্তর ছাড়িয়ে উঠেছে। টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢল বেলা বাড়ার সাথে পানি আরও বাড়তে পারে।

ফসল ধ্বংস হচ্ছে, কৃষকদের মুখে দুশ্চিন্তা

তিস্তার চরে বাদাম চাষি লাকু মিয়া জানান, কয়েকদিন ধরে পানিবন্দি হয়ে আছে। চর রাজপুরের বাসিন্দা ঝন্টু মিয়া বলেন, গত দুদিন থেকে চরে পানি ঢুকে আছে। চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের কেউ কোনও খবর রাখেনি।

“তিস্তার পানি আরও বাড়তে থাকলে চরাঞ্চলের ধানের চারা, বাদাম ও মিষ্টি কুমড়া সহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হবে,” হাতীবান্ধার গড্ডিমারী গ্রামের কৃষক আনোয়ারুল হক বলেন।

মহিপুর তিস্তার চর এলাকার কৃষক মকবুল হোসেন জানান, উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের কারণে ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। গবাদি পশু সহ সন্তানদের নিয়ে বিপাকে রয়েছি।

“রাতে পানি কমলে আবার সকালে পানি পাড়ে। পানি বাড়া-কমার কারণে দুশ্চিন্তায় আছি,” কালীগঞ্জের কাশীরাম এলাকার বাদাম চাষি লাকু মিয়া জানান।

চলতি মৌসুমে আমন আবাদের জন্য প্রস্তুত করা অনেক বীজতলা পানির কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে নতুন করে বীজতলা তৈরির প্রয়োজন হতে পারে।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রদান বলেন, তিস্তার মধ্যবর্তী চরে কিছু পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। চেয়ারম্যানদের তালিকা করতে বলা হয়েছে, তালিকা পেলেই শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।

তিস্তা পাড়ের বাসিন্দারা ভয়ে আছেন

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান সহ বিভিন্ন এলাকায় তিস্তার পানি তীরবর্তী চরে প্লাবন ঘটেছে। কৃষকদের প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেহেতু বাদামক্ষেত, ধানের বীজ তলা এবং মিষ্টি কুমড়া সহ বিভিন্ন ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

তিস্তা ব্যারাজের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, সকাল ৯টায় পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ থেকে প্রবাহিত হয়েছে। এখন সেই