Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

টিকার ঘাটতিতেই বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব, এএমআর রুখতেও টিকাদান জরুরি | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 21, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Betty Rodriguez - patrikajournal.com

Foto : Betty Rodriguez - patrikajournal.com

টিকার ঘাটতিতেই বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব, এএমআর রুখতেও টিকাদান জরুরি

টিকার কৌশল হাম এবং এএমআর মোকাবেলায় ক্রমাগত গুরুত্ব বাড়ছে

Patrikajournal.com – ট ক র ঘ টত ত ই - বাংলাদেশে পরিচালিত গ্লোবাল অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স পার্টনারশিপ (গার্প) কর্তৃক প্রকাশিত এক পলিসি ব্রিফে উল্লেখ করা হয়েছে যে টিকা সংক্রামণ কমানো, অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার হ্রাস এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বিপর্যয়ের সম্মুখীন হওয়ার কারণে টিকার গুরুত্ব দুটি বিষয়ে আরও বেশি চিন্তা করা আবশ্যক। বিশেষজ্ঞদের মতে টিকা কেবল রোগ প্রতিরোধের জন্য নয়, বরং সংক্রামক রোগের বিস্তার ও প্রতিরোধের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

সংক্রমণ কমানো, অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো এবং জীবাণুর ওষুধ-প্রতিরোধী ক্ষমতা মোকাবেলায় টিকা সবচেয়ে কার্যকর এবং সাশ্রয়ী উপায়গুলোর একটি হিসেবে কাজ করে। টিকার মাধ্যমে প্রতিটি সংক্রমণ অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার এবং ওষুধ-প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার কমাতে সাহায্য করে।

বর্তমানে দেশে সাম্প্রতিক বছরের মধ্যে একটি বড় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত দেশে ৫৪ হাজার ৯১১ জনের বেশি সন্দেহভাজন হাম রোগী চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে একটি বড় আক্রমণের ফলে নিশ্চিত বা সন্দেহজনক হাম জনিত মৃত্যু ঘটেছে বলে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এই দুর্দশার প্রতিফলন দেখা গেছে রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতার কমতে থাকা কারণে।

প্রতিবেদনটি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে টিকার কভারেজ বাড়ানো দ্বারা বাংলাদেশে এএমআর বোঝা কমানো সম্ভব। আইসিডিডিআর,বি–এর ইনফেকশাস ডিজিজেস ডিভিশনের এন্টারিক অ্যান্ড রেসপিরেটরি ইনফেকশন্স ইউনিটের বৈজ্ঞানিক ডা. ওয়াসিফ আলী খান বলেন, নবজাতকদের ধনুষ্টংকার নির্মূল, পোলিও দূরীকরণ এবং জন্মগত রুবেলা নিয়ন্ত্রণে গত কয়েক দশকে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করা হয়েছে। তবে এই সাফল্যগুলো স্থায়ী রাখা এবং ভবিষ্যতের সমস্যার কারণে সতর্ক করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে এএমআরের কারণে ৩ কোটি ৯০ লাখের বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করতে পারে। বাংলাদেশে ২০২১ সালে এএমআর সংক্রমণের ফলে ৯৬ হাজার ৮৭৮ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং তার মধ্যে সরাসরি এএমআর কারণে ২৩ হাজার ৪৫৪ জন মৃত্যু ঘটেছে। পলিসি ব্রিফ এ সুপারিশ করা হয়েছে শিশুদের টিকাদানের কভারেজ বজায় রাখা, এএমআর প্রতিরোধে কার্যকর টিকার প্রাপ্যতা বৃদ্ধি এবং এ কৌশলকে জাতীয়