ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির প্রায় ১৯০৯টি মামলা
ট র ফ ক আইন লঙ ঘন – রবিবার (২১ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গুরুতর ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে, যার ফলে মোট ১৯০৯টি মামলা করা হয়েছে। ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে বিভিন্ন বিভাগে অবস্থিত যানবাহনগুলির বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে সংগ্রহ করা হয়েছে, যা ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষার দিকে প্রচুর ভাবে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। এই অভিযান দ্বারা মোট ৩৪৬টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৪২০টি গাড়ি রেকর করা হয়েছে।
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে বিভিন্ন এলাকার মামলা বিস্তার
ডিএমপির বরাবর অভিযানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিস্তার একটি স্থায়ী প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ট্রাফিক-রমনা বিভাগে মোট ১৮টি বাস, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ৮টি সিএনজি এবং ২৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮৩টি মামলা করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে বাস, ট্রাক এবং সিএনজি থেকে মোট ১৩৪টি মামলা তৈরি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে মোট ৪১২টি মামলা হয়েছে, যা ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে সবচেয়ে বেশি মামলা বিস্তার দেখায়। অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে মোট ১৪৫টি মামলা হয়েছে, যা অন্যান্য এলাকার তুলনায় কিছুটা কম। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে মামলা বিস্তার ৩৬৬টি হয়েছে, যেখানে গুলশান বিভাগে মামলার সংখ্যা মোট ২৪৬টি।
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের স্বরূপ ও প্রভাব
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপি গুরুতর অপরাধ সংক্রান্ত সংখ্যা নোটিশ ও জরিমানা বাবদ সংগ্রহ করে এগুলি বিস্তার করে। এই অভিযানের ফলে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের ঘটনা কমিয়ে আসা হয়েছে। পুলিশ বিভাগের বরাবর ক্রমবর্ধিত ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ চালিয়ে গেছে, যা ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষার প্রতি অবিচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা হিসেবে কাজ করছে। ডিএমপি বিভাগ যানবাহন চালকদের কম দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য কিছু নতুন ক্রম ব্রিক্স ব্যবহার করেছে।
“ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপি অব্যাহত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়া দ্বারা যানবাহন চালকদের প্রতি আইন আদর্শ স্থাপনে কাজ করছে,” বলে পুলিশ প্রতিনিধি জানান।
তারপরে ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে মোট ৩৬৫টি মামলা হয়েছে, যেখানে মোটরসাইকেলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে মামলার সংখ্যা ১৫৮টি হয়েছে, যেখানে সিএনজি ও কাভার্ডভ্যান সমন্বিত আইন লঙ্ঘন দেখা গেছে। পুলিশ বিভাগের কাজের মাধ্যমে সড়ক সম্প্রচার প্রাচুর্য বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কম ঘনত্ব দেখায়।
এই অভিযানে যানবাহন চালকদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তি দাবি করা হয়েছে এবং তাদের কম পরিমাণে জরিমানা করা হয়েছে। ডিএমপির পরিচালনার দিক থেকে এই মামলা বিস্তার একটি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। য
