ট্রাম্প চীন সফর দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য বড় স্বস্তি নিশ্চিত করতে পারে
ট র ম প র চ ন – ট্রাম্প চীন সফর দক্ষিণ কোরিয়ার আর্থিক স্থিতিশীলতার দিকে নতুন প্রাণ ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্মেলন সিউল জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করতে পারে যেটি পূর্ব এশিয়ার বাজারে বিনিময় আন্দোলন ও বাণিজ্য চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ করতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে, এই সফরের মাধ্যমে সিউল আমন্ত্রণ পেয়েছে পূর্ব এশিয়ায় স্থায়ী প্রভাব সৃষ্টি করতে সম্ভাব্য নীতিগুলো নিশ্চিত করতে।
হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হলে সিউল মুক্তি পেতে পারে
ট্রাম্প চীন সফর দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্কে নিশ্চিত করতে পারে যে এই সম্মেলন দুর্ভিক্ষ বা তেল সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। ইরান ও চীনের মধ্যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার কারণে প্রায় অর্ধেক তেল ও গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এই সমস্যার প্রভাব দুর্দাঙ্গা ছাড়া দুর্দাঙ্গা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
প্রতিকূলতা হাকিমি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ কিম সো-ইয়ং, যিনি আল-জাজিরা সাথে বলেন, ‘ট্রাম্পের চীন সফর সামগ্রিক সম্পর্ক ও বিশেষ করে চীনের প্রতি সিউলের দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।’
তাইওয়ান সম্পর্কে ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে সিউল সতর্ক থাকবে
ট্রাম্প চীন সফর সিউল জন্য একটি আরও স্বাস্থ্যকর নীতি নিশ্চিত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের তাইওয়ান সম্পর্কে পরিবর্তন আসলে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য চুক্তি এবং নিরাপত্তা সম্পর্কে পূর্ব এশিয়ার স্থায়ী নীতি গুরুত্বপূর্ণ করে তোলার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া বেইজিংয়ে সিউলের প্রতিনিধি মুখ্য আলোচনার জন্য বিশেষ করে তাইওয়ান সম্পর্কে ক্ষমতার সম্ভাবনা নিশ্চিত করছে।
বিশেষ করে, বেইজিংয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে সিউলের প্রতিনিধির আগমন পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেই সময় তাইওয়ান এবং চীন মধ্যে নীতিগুলো সম্পর্কে আলোচনা করে দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্কে তাদের সম্পর্ক দৃঢ় করতে পারে। এই পর্যায়ে সিউল পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা এবং বাণিজ্য অর্থনৈতিক প্রভাব কমাতে চেষ্টা করছে।
দ্বিতীয় সফর করলেন ট্রাম্প চীনে
ট্রাম্প চীন সফর দক্ষিণ কোরিয়া জন্য সম্ভাব্য বড় স্বস্তি তৈরি করতে পারে। গত বছর প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প বেইজিংয়ে সফর করেছিলেন এবং এখন তার দ্বিতীয় সফর ঘটেছে। বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ কর্তৃক সিউল থেকে প্রতিকূলতা হাকিমি করতে সম্ভাব্য সুবিধা পেতে পারে।
প্রতিকূলতা হাকিমি করতে পারে বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আগের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের সাথে দ্বিতীয় সফরে সম্পর্কে ভবিষ্যতের গুরুত্ব নিশ্চিত করছেন। সম্মেলনের ফলে এখন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বাণিজ্য চুক্তি
