তিস্তা পাড়ে দীর্ঘমেয়াদি বন্যা হলেও ক্ষতি কম হওয়ার আশা
দ র ঘম য় দ বন য – বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীর ভাঙন ও বন্যা উত্তরাঞ্চলের বাসিন্তদের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলে। প্রতি বছর নদীভাঙনে অসংখ্য মানুষ তাদের ফসলি জমি ও বাসস্থান হারানোর সম্মুখীন হন। তবে এবার আগাম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করায় তিস্তা অববাহিকায় দীর্ঘমেয়াদি বন্যা হলেও ক্ষতি কম হবে বলে আশা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১১৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৪২ কিলোমিটার এলাকা ভাঙন ও অতিভাঙনপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত। তাদের মধ্যে প্রায় ১৯ কিলোমিটার নদীতীর এখন অতিভাঙনপ্রবণ ধরা হয়েছে।
গত বছর প্রায় সাড়ে ১৯ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ কাজ সম্পন্ন করায় ভাঙনের ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। এবার অবশিষ্ট প্রায় সাড়ে ২২ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিও ব্যাগ ও বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গত মৌসুমে তিস্তার পানি চার দফা বিপৎসীমা অতিক্রম করলেও ক্ষয়ক্ষতি তুলনামূলক কম হয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/এনআরএইচ প্রতিদিনের বাস্তব আপডেট সামনে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু ও সড়কের রক্ষণাবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধের একাংশে ধস দেখা দিয়েছে। এছাড়া নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) আহসান হাবিব বলেন, বন্যা মৌসুম শুরুর আগেই অতিভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, দীর্ঘমেয়াদি বন্যা হলেও নদীভাঙন ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আগের তুলনায় অনেক কম হবে।
গত তিন দিন ধরে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত বছর রংপুরের গনাই, টেপামধুপুর ও লালমনিরহাটের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসহ বিভিন্ন অতিভাঙনপ্রবণ এ
