বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেফতার হয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জানালেন
দ ব ইয় য ভ ব গ – বাংলাদেশ পুলিশের পূর্বতন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেফতার হয়েছেন। এ বিষয়টি রবিবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রমাণ করেন। তিনি আইনী বিষয়াবলীতে এ অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে আটক আছেন। ইউএই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি ই-মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।
প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া পরিচালনা শুরু হয়েছে
তিনি আরও জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী গ্রেফতারের ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে প্রত্যর্পণের আবেদন করতে হবে। সরকার ইতোমধ্যে এ কার্যক্রম গৃহীত করেছে।
এ ঘটনা দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
প্রত্যর্পণের জন্য আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহায়তা পেয়েছে। রেড নোটিশ জারির আদেশ ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন দেন। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার ওয়েবসাইটে বেনজীর আহমেদের ছবি ও তথ্য মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় হাইড করে রাখা ছিল।
২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করা হয়। গত বছরের এপ্রিলে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়। এ রেড নোটিশে আর্থিক অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
সাবেক মন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সম্পর্কে প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বেনজীর ও তার স্ত্রী-কন্যাদের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করা হয় দুর্নীতি দমন কমিশন দ্বারা। সেগুলি সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে প্রস্তুত করা হয়। মামলায় আটক সম্পদের মূল্য ৭৪ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা পরিমাণ উল্লেখ করা হয়।
বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা বিচারাধীন। এ প্রক্রিয়ায় ইন্টারপোলের পরিচালনায় দেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব প্রস্তুত হয়েছে।
২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেনজীর আহমেদ পুলিশের মহাপরিদর্শক ছিলেন। তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ �
