দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে সংঘাতপূর্ণ বছর ২০২৫
Patrikajournal.com – দ ব ত য় ব শ বয – বিশ্বে সংঘাত ও সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট অসলো (পিআরআইও)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এ সময়টি ছিল সবচেয়ে গুরুতর বছর। এ সময়ে যুদ্ধ ও রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ মারা গেছেন।
রাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট সংঘাতের সংখ্যা বৃদ্ধি
পিআরআইওর বার্ষিক ‘কনফ্লিকট ট্রেন্ডস’ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে অন্তত ৬৫টি রাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত ঘটেছে। গত ৮০ বছরে সর্বোচ্চ সংখ্যায় রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সংঘাত সংঘটিত হয়েছে। এ বছর নিহত মানুষের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় আটগুণ হয়েছে।
“দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ বছর ইতিবাচক কিছু বলার সুযোগ খুব কম। সাধারণত প্রতিবেদনে কিছু আশাব্যঞ্জক দিক তুলে ধরা যায়, কিন্তু এবারের পরিসংখ্যান গভীর উদ্বেগের কারণ।”
সংঘাতের উৎস এবং প্রভাব
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে নিহত মানুষের সংখ্যা ২ লাখ ৪৫ হাজার। এর মধ্যে বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু ছিল ৭৬ হাজার ৫০০। সুদানে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনীর চলমান সংঘাত হল বেসামরিক মানুষের মৃত্যু বৃদ্ধির একটি প্রধান কারণ। দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশের শহরে অবরোধ ও গণহত্যা ঘটনায় প্রায় ৬০ হাজার মানুষ মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্ব রাজনৈতিক অবস্থার বিশ্লেষণ
২০২৫ সালে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সংঘাত ঘটেছে আফ্রিকায়। মহাদেশটিতে ২৯টি সংঘাত নথিভুক্ত হয়েছে। এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যে সংঘাত সংখ্যা তিনটি মহাদেশের তুলনায় কম। রুস্তাদ বলেন, গত পাঁচ-ছয় বছরে ধারাবাহিকভাবে বড় সংঘাত শুরু হয়েছে। বিশ্ববাসী কার্যত এক মুহূর্তের জন্যও সংঘাতমুক্ত সময় পায়নি।
বিশ্বে গাজা, সিরিয়া, লেবানন, ইরান ও ইয়েমেনে ইসরায়েল সংঘাতে জড়িত। যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হামলা ও সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈদেশিক বাণিজ্যেও নতুন বাধা তৈরি হয়েছে।
রুস্তাদ আরও বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। বিশ্ব রাজনীতিতে স্পষ্ট মেরুকরণ দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি উপসালা কনফ্লিকট ডেটা প্রোগ্রাম (ইউসিডিপি)-এর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।
গবেষণায় সংঘবদ্ধ সহিংসতার তিনটি ধরন চিহ্নিত করা হয়েছে—রাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট সংঘাত, অ-রাষ্ট্রীয় গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত এবং বেসামরিক মানুষের বির�
