চীনে ধূমপান নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা, তবু সিগারেট বিক্রি বাড়ছে
ধ মপ ন কম ন র অঙ – প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বিশ্বের সবচেয়ে বড় সিগারেট বাজারে ধূমপান নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু দশক পেরিয়ে গেলেও চীন এখনো বিশ্বের প্রধান ধূমপান বাজার। দেশটিতে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ ৪৪ হাজার কোটি সিগারেট বিক্রি হয়, যা বিশ্বব্যাপী মোট সিগারেট ব্যবহারের প্রায় ৪৭.২ শতাংশ হিসাবে গণ্য।
২০০৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে চীনে ধূমপানের পরিমাণ ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরপক্ষে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতে সিগারেট বিক্রি কমেছে প্রায় ২৬.৪ শতাংশ। এই বৃদ্ধির পিছনে চীনের সিগারেট বাজার বৃদ্ধির মূল কারণ হলো তামাকের দাম কম। এখানে প্যাকেট সিগারেটের গড় দাম প্রায় ৩ ডলার, যা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কম দামে পাওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনে সিগারেটের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় বিক্রি বাড়ছে।
২০২৫ সালে চায়না টোব্যাকো কর ও মুনাফার মিলিয়ে প্রায় ২৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলার আয় করেছে। এটি চীনের মোট সরকারি আয়ের প্রায় ৭ শতাংশ। অর্থনৈতিক মন্দা ও সম্পত্তি খাতের সংকট কারণে এই আয় সরকারের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সিগারেটের বিক্রি বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসাবে তামাক উৎপাদন ও বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ‘চায়না ন্যাশনাল টোব্যাকো করপোরেশন’ রয়েছে। বিশ্বে ব্যবহৃত মোট সিগারেটের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ এই সংস্থা প্রস্তুত করে। এই সংস্থা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সিগারেট বাজারে সরাসরি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
অতীতে চীন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তামাক নিয়ন্ত্রণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল, কিন্তু কঠোর নিয়ম পুরোপুরি কার্যকর করা হয়নি। ২০১৭ সালের দিকে বন্ধ স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধের উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। সিগারেট প্যাকেটে অন্যান্য দেশের মতো ভয়াবহ স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার ছবি নেই। বেশিরভাগ প্যাকেটে শুধু ছোট সতর্কবার্তার পাশ
