News

‘নানা, আমি ১৫ মিনিটের মধ্যে আসতেছি’ বলা নাবিল এলেন লাশ হয়ে | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

নাবিলের মৃত্যু সড়ক দুর্ঘটনার শিকারি ন ন আম ১৫ ম ন ট - শনিবার সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কুটিপাড়া এলাকায় ঘটে এক

Desk News
Published May 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নাবিলের মৃত্যু সড়ক দুর্ঘটনার শিকারি

ন ন আম ১৫ ম ন ট – শনিবার সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কুটিপাড়া এলাকায় ঘটে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী নাবিল সহ চার মানুষের প্রাণ নিয়ে গেছে। আহত হয়েছে আরও অন্তত ২০-২৫ জন।

পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর সদর উপজেলার মুন্সীবাজার এলাকার জুনায়েদের ছেলে নাবিল। বাবা ছোটখাটো ব্যবসা করেন এবং মা অনেক কষ্ট করে ছেলেকে কলেজে ভর্তি করিয়েছিলেন। মায়ের স্বপ্ন ছিল তিনি পড়াশোনা শেষ করে বড় চাকরি করবেন।

“ওদের এবার কোরবানি ছিল না। তাই আমি বললাম, তুমি এখানে চলে আসো। ও ঈদ করতে আমার বাড়িতে আসছিল। আমি ওকে শুক্রবার আসতে বলেছিলাম, কিন্তু ও বলল জামাকাপড় কিনে শনিবার আসবে। সকাল সাড়ে ৮টায় ফোন করলাম, বলল রওনা হয়েছে। সাড়ে ৯টায় বলল আর ১৫ মিনিট লাগবে। সাড়ে ১০টার পর থেকে ফোন বন্ধ হয়ে গেছে। ভেবেছিলাম চার্জ নেই, কিন্তু মন মানছিল না। বাসস্ট্যান্ডে এসে শুনি গাড়ি অ্যাক্সিডেন্ট করেছে। হাসপাতালে এসে দেখি ও মরে পড়ে আছে।”

অপরাজনের কর্মকর্তা আবু ওবায়েদ জানান, বিপরীত দিক থেকে আসা ডাম্পট্রাকের ধাক্কাতে বাসটি উল্টে পড়ে। খোকসা সহকারী কমিশনার জানিয়েছেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার জানান, আহতদের মধ্যে ১১ জন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই মানুষ মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

তদন্ত চলছে ঘটনার সঠিক কারণ খুঁজে। মৃত অন্যজনের বয়স আনুমানিক ৬০ বছর, যার পরিচয় বর্তমানে খুঁজে পাওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

যাত্রীবোঝাই বাস আর ডাম্পট্রাকের মধ্যে তীব্র আঘাত হয়েছিল। স্থানীয় জনতা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। বাস থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করে খোকসা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাবিলের মায়ের আশার প্রদীপ চিরতরে নিভে যায়। আনন্দের ঈদ এখন শোক আর বিষাদে রূপান্তরিত হয়েছে। এ ঘটনার পরিণতি হয়েছে চার জনের মৃত্যু।

বিডি প্রতিদিন/কেএইচটি ২৫ মিনিট আগে | পূর

Leave a Comment