নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম
ন র য়ণগঞ জ শ শ সহ – নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মাসদাইর গাবতলী এলাকায় সোমবার (১৮ মে) বিকেলে এক যুবক বিরূদ্ধে ঘটেছে ঘর ভাঙচুর ও শিশুসহ পাঁচ জনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ। অভিযুক্ত যুবকের নাম আব্দুল মালেক (২৭)। ঘটনার সময় তার ভাবি রেনুভা বেগম (৩৫) এবং তার শিশুকন্যা লামিয়া আক্তার মীম (৬) কে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। এর পর ঘরের পাশের আরও ছয়টি ঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেন। বিষয়টি নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হওয়ার পর স্থানীয়রা ভীত হয়ে গেছে।
অভিযোগ ও ঘটনার পরিচয়
আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহবুব আলম জানান, মালেককে আটক করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পূর্ব-পশ্চিম মাদকাসক্ত যুবক নারায়ণগঞ্জে ক্ষিপ্ত হওয়ার কারণ খুঁজে পাওয়া হচ্ছে। তিনি নিজের স্থানীয় সম্প্রদায়ের সাথে কোন সম্পর্ক রাখেন না বলে জানা গেছে।
ঘটনার সম্ভাব্য কারণ ও পরিস্থিতি
স্থানীয়রা জানান, আব্দুল মালেক বেকার এবং মাদকাসক্ত। এজন্য তার পরিবারের লোকজন তাকে অবহেলা করেন। দুপুরে তার ভাবি রেনুভা বেগমের কাছে ভাত খেতে চায়। তখন খাবার না পেয়ে মালেক ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনা ঘটায়। তিনি ঘর ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেন। নারায়ণগঞ্জে এমন অপরাধ ঘটার পর স্থানীয়দের মধ্যে আশঙ্কা বিস্তার লাভ করেছে।
অভিযুক্ত মালেক ঘটনার সময় তার বাড়ির সামনে গৃহ ভাঙচুর করে চারপাশে আতঙকাজ ছড়িয়ে দেন। তিনি তার নিকট অবস্থানকারী মানুষদের ওপর আক্রমণ করেন। এ সময় অনেকে ভয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে পড়েন। অভিযোগ অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জে এই ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা চলছে। এর মধ্যে শিশু শীর্ষ আহতদের মধ্যে রয়েছে। এই ঘটনার পর আহতদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে সবাই ভালো অবস্থায় আছেন। নারায়ণগঞ্জে এ ধরনের আক্রমণের পর স্থানীয়দের জন্ম সম্পর্কে কথা বলতে হয়েছে।
পরিস্থিতি ও ব্যবস্থা
তদন্তে জানা গেছে যে, নারায়ণগঞ্জে মালেক বিপর্যস্ত হওয়ার কারণ ছিল তার স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে উপস্থিতি। তিনি বিপর্যস্ত হয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেন। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জে এই ঘটনার পর পরিবারের সদস্যদের অবহেলা করার জন্য কেউ কেউ ক্ষুধার্ত ছিলে
