Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নাসির-তামিমার মামলায় কোন ধারায় কি সাজা? | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 10, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jessica Martinez - patrikajournal.com

Foto : Jessica Martinez - patrikajournal.com

নাসির-তামিমার বিয়ে মামলার সাজা কী হতে পারে?

Patrikajournal.com – ন স র ত ম ম র - আদালত আজ নাসির হোসেন এবং তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিয়ে মামলার রায় ঘোষণা করবেন। বাদীর দাবি, তামিমা নাসির কে বিয়ে করেছেন তাঁর আগের স্বামী রাকিব হোসেনের বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগতভাবে শেষ হওয়ার আগে। এই মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ পাঁচ থেকে সাত বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানা তাম্মি রাকিব হোসেনের সঙ্গে বিয়ে করেন। তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বছরের শুরুতে নাসির ও তামিমার বিবাহ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মামলার আলোচনা শুরু হয়। আদালতে মামলা করেন রাকিব হোসেন ২৪ ফেব্রুয়ারি তে বাদী হিসেবে।

আসামিদের দাবি, তারা আগের স্বামী সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগতভাবে শেষ হওয়ার পরই বিবাহবন্ধনে আবদ্দ হয়েছেন। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা শেখ মিজানুর রহমান আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর আদালত নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।

নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৭ ও ৪৯৮ ধারায় অভিযোগ রয়েছে। ব্যভিচার বা পরকীয়া ধারা ৪৯৭ অনুযায়ী আসামিদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। অপরাধ জনক উদ্দেশ্যে নারীকে প্রলুব্ধ করা বা বেআইনিভাবে আটকে রাখা ধারা ৪৯৮ অনুযায়ী দণ্ডনীয়। এই ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।

আসামিপক্ষের রিভিশন আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর বাদী পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। মামলায় ১০ জন সাক্ষী পরিচয় দেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয় ২০২৫ সালের ১৬ এপ্রিল। পরে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তাদের নির্দোষ দাবি করেন। তামিমা নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন। গত ৬ মে উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। আদালত বিচারের দিন ধার্য করে দেন ১০ জুন নাসির-তামিমার মামলায়।

তামিমার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৪, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় অভিযোগ রয়েছে। সেই ধারাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়েছে। স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকার সময় বৈবাহিক সম্পর্ক বলবৎ থাকলে গোপনে বা তালাক ব্যতীত পুনরায় বিবাহ করার ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী দণ্ড প্রাপ্তির বিধান রয়েছে। প্রতারণামূলক দলিল ব্যবহারের ধারা ৪৬৮ এবং জাল দলিলের জন্য দণ্ডবিধির ৪৭১ অনুযায়ী সাত বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।