বাজেটে নিত্যপণ্যের দাম কমানো উৎসে কর ছাড়ের প্রস্তাব
জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো জন্য গণতান্ত্রিক সরকারের নতুন কার্যক্রম
ন ত যপণ য র দ ম – নিত্যপণ্যের দাম কমানো এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে সরকার বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড তথ্য অনুযায়ী, চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় এবং কৃষিজাত ৬০টি পণ্যের উপর উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব রয়েছে। এই সরকারি পদক্ষেপ দ্বারা সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি ফেরানো হবে।
পূর্বে কৃষিপণ্যের উপর উৎসে কর ছিল পণ্যভেদে ৫ শতাংশ, ২ শতাংশ বা ১ শতাংশ। নতুন বাজেটে সব করের হার এক লাফে মাত্র ০.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। এটি দাম কমানো এবং মূল্যস্ফীতি বাঁধিয়ে রাখার সরকারি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
কৃষিজাত ও মানবাদি পণ্যগুলোর উপর কর ছাড়
বিশেষ করে ধান, চাল, গম, আলু, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল ও বীজের উপর কর ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও মাছের উপরও কর ছাড় প্রয়োগ করা হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, কর কমালে নিত্যপণ্যের দাম কমতে পারে এবং মানুষের মূল্যবৃদ্ধি থেকে বাঁচা যাবে।
নিত্যপণ্যের দাম কমানো সরকারি প্রচেষ্টার মাধ্যমে জনগণের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ প্রতিদিন ক্রয় করতে বাধ্যতামূলক সামগ্রিক খরচ কমানো ও পণ্য সরবরাহের দাম নামিয়ে আনার উদ্দেশ্যে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
বাজেট বিস্তার ও আয় লক্ষ্য
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। আয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ব্যবধানের জন্য দুই উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হবে।
অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা। এ কর্মসূচির মাধ্যমে নিত্যপণ্যের দাম কমানো এবং সামগ্রিক খরচ বাঁধিয়ে রাখার উদ্দেশ্য পূরণ করা হবে।
বাজেট প্রস্তাব জাতীয় সংসদের স্পিকা�
