Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নেত্রকোনায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 25, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Martin - patrikajournal.com

Foto : Michael Martin - patrikajournal.com

নেত্রকোনার স্ত্রী হত্যার মৃত্যুদণ্ড | বাংলাদেশ প্রতিদিন

আদালতে স্বামীকে মৃত্যু শাস্তি দেওয়া হয়েছে

Patrikajournal.com – ন ত রক ন য় য ত - ন ত রক ন য় য ত - নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে শফিকুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। তিনি আরও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ৬ মাসের কারাদণ্ডের দাবি জানান।

শফিকুল ইসলাম ও পারভীন আক্তারের বিয়ে প্রায় ১০ বছর আগে হয়। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে—একটি ছয় বছর ও অপরটি নয় বছর বয়সী। বিয়ের সময় দাবি করা এক লাখ টাকা যৌতুক না পেয়ে শফিকুল দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন।

পারভীনের ছোট ভাই মো. আবু ইউসুফ জানান, বিয়ের পর শফিকুল ইসলাম স্ত্রীকে বারবার পিটিয়ে হত্যা করেন। ২০১৯ সালের ২৫ মার্চ পারভীন বাবার বাড়ি চলে যান। তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে প্রতিবেশীদের খবরে স্বজনরা পুলিশ নিয়ে গিয়ে বারান্দায় মরদেহ দেখতে পান।

বিচারপ্রক্রিয়া ও আসামির সাক্ষ্য গ্রহণ

পরে সালিশ-বৈঠকে ভবিষ্যতে নির্যাতন না করার অঙ্গীকারের পর পারভীনকে আবার স্বামীর বাড়িতে পাঠানো হয়। এর এক মাস পর, ২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১০ জন ও আসামিপক্ষের ২ জন সাক্ষী গ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামির উপস্থিতিতে রায় দেন।

উল্লেখ্য যে ঘটনার পর শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় হত্যার দায় স্বীকার করেন। তিনি স্বীকার করেন যে স্ত্রী হত্যার জন্য যৌতুক দাবি ছিল তার অন্যতম কারণ।

এই মামলায় শফিকুলের বাবা তোরাব আলী ও মা সখিনা খাতুন কারাদণ্ডের বিষয়ে স্বাক্ষর করেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের খালাস দেন।

ন ত রক ন য় য এর সংসারে যৌতুক দাবির সংঘাত প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলে। এই ঘটনার পর শফিকুল ইসলাম নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে ন্যায়বাদী হিসাবে উপস্থিত হন।

এই বিচারপ্রক্রিয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে শফিকুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। নেত্রকোনা জেলার বিচারক এ.কে.এম. এমদাদুল হক এই রায় দেন যেখানে স্বামীর জন্য দুটি মেয়ের ভবিষ্যতে স্বামী শাস্তি গ্রহণ করা হয়।