নৌপথের ভ্রমণকে ভরসাযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য
নৌ প্রতিমন্ত্রীর সংবাদ সমাপ্তি সংক্রান্ত পরিচালনা
ন পথ র ভ রমণক ভরস য – বাংলাদেশের নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান পরিদর্শনের পর নৌপথের ভ্রমণকে ভরসাযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি ঘোষণা করেন যে লঞ্চঘাটের পল্টুনগুলো আধুনিক করা এবং ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীপথগুলো চলাচলের জন্য সচল রাখা সম্ভব হলে নৌপথ আবারও জনগণের আস্থার বাহন হতে পারবে। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য সরকার এবং নৌ মন্ত্রণালয় সক্রিয় ভাবে কাজ করছে বলে তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রী আহসান বলেন, বর্তমানে একটি স্টিমার চালোন হওয়া সত্ত্বেও পুরোনো স্টিমারগুলো অপরিশোধিত অবস্থায় রয়েছে। এগুলো আবারও মেরামতের প্রয়োজন হয়েছে এবং তাদের পুনরুজ্জীবিত করে যাত্রীদের নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে। তিনি আরও জানান যে ঐতিহ্যবাহী স্টিমারগুলো বিকল্প ভাবে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে সরকার চিন্তা করছে। নৌপথে জনগণের আস্থা ফিরে আসার জন্য তারা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
জনগণের আস্থার নৌপথ চূড়ান্ত প্রতিষ্ঠা লক্ষ্য
নৌ প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে নৌপথে ভ্রমণকে ভরসাযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ছাড়া কোনো আরোপ করা হবে না। তিনি উল্লেখ করেন যে সেখানে যাত্রীদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রাপ্ত। স্টিমারগুলো ও লঞ্চঘাটের পল্টুনগুলো আধুনিক করে এই ভ্রমণক সম্পূর্ণ জনসেবা করতে পারবে।
নৌপথ বিষয়ে আরো একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যার সময় দেখা গেছে যে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা, সদস্য প্রকৌশল রকিবুল ইসলাম তালুকদার, চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম।
যাতায়াত ব্যবস্থার আরও সুন্দর পরিচালনা করতে তিনি জানান যে নৌপথের ভ্রমণকে আবারও জনগণের আস্থার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে নৌপথ বিষয়ে সম্প্রতি কোনো কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে সেটি বৃদ্ধি করার লক্ষ্য রয়েছে।
“লঞ্চঘ
