Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির বিন শামস আটক, ৭ পাসপোর্ট উদ্ধার | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Barbara Hernandez - patrikajournal.com

Foto : Barbara Hernandez - patrikajournal.com

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির বিন শামস আটক, ৭ পাসপোর্ট উদ্ধার

Patrikajournal.com – পরর ষ ট র মন ত রণ - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির বিন শামস বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশ করার সময় লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্ত এলাকায় আটক করা হয়েছে। তিনি দুপুরে দহগ্রাম সীমান্ত এলাকার মাধ্যমে দেশে ফিরে আসেন। স্থানীয় বাসিন্দারা তার সন্দেহজনক চলাচল ও কথোপকথন দেখে আপত্তি জানায়। পাটগ্রাম থানার পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে আটক করে।

সাব্বির বিন শামসের পাসপোর্ট জব্দ

তল্লাশি কাজের প্রক্রিয়ায় আটক করা সাব্বির বিন শামসের হেফাজত থেকে দুটি কূটনৈতিক পাসপোর্ট ছাড়াও মোট সাতটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়। লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন যে তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি হিসেবে অধিকতর তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানান, সাবেক কূটনীতিকের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা চলছে।

আটক করা সাব্বির বিন শামস বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে কাজ করেন। তিনি তিন বছরের জন্য সেই পদে দায়িত্ব পালন করেন। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনে তিনি চুক্তিভিত্তিক মিনিস্টার পদে দায়িত্ব পালন করেন।

পুলিশ জানিয়েছে যে সাবেক ডিজি তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের দাবি অনুসারে মামলা পরিচালনার প্রক্রিয়া চলছে। আইনি জটিলতা ও মামলার হাত থেকে বাঁচতে তিনি দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর শেষ পর্যন্ত সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দেশে ফেরার চেষ্টা করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নির্দিষ্ট মামলা ও পুনর্বাসন

সাব্বির বিন শামস এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি নিজের আইনি সমস্যা প্রতিরোধে বিদেশে অবস্থান করেন। পুলিশ জানিয়েছে যে তার বিরুদ্ধে মামলা জালার জন্য তদন্ত চলছে।

আটক করা ডিজি সাব্বির বিন শামসের সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ প্রতিদিন। তিনি বর্তমান সরকারের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়।