Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 29, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jessica Martinez - patrikajournal.com

Foto : Jessica Martinez - patrikajournal.com

সংঘর্ষে হাদিস মিয়া নামে এক যুবক মৃত্যু বরণ করেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা টাকার কারণে দুই পক্ষে সংঘর্ষ, ৩০ জন আহত

Patrikajournal.com – প ওন ট ক ন য় ব - ২৮ জুন রাতে সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ বাজার এলাকায় পাওনা টাকা চাওয়া কেন্দ্রকরে হাদিস মিয়া নামে এক যুবক সংঘর্ষে মৃত্যু বরণ করেন। ঘটনার সময় তিন পুলিশ কনস্টেবলসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। ভয়াবহ সংঘর্ষটি প্রায় চার ঘণ্টা ব্যাপী চলে।

হাদিস মিয়া সরাইল উপজেলার ধর্মতীর্থ চাকসার এলাকার সামসু মিয়ার ছেলে। তিনি উপজেলার সূর্যকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেনের বিলে মাছ ধরার জন্য ব্যবহৃত ৫ লাখ টাকার চটা-পাটি কিনেছিলেন। নয় মাসের জন্য তা পরিশোধ করা হয়নি বলে বিরোধ বাড়তে থাকে।

রোববার বিকেলে কালিকচ্ছ শহীদ মিনার এলাকায় মোশারফ হোসেনের সঙ্গে আশিক ও আলালের দেখা হয়। তখন পাওনা টাকা চাওয়ার জন্য উভয় পক্ষে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। অনুমান করা হচ্ছে যে তা সহজে হাতাহাতিতে পরিণত হয়।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নতুন সংঘর্ষের আশঙ্কায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

অন্ধকারের মধ্যে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে হামলা-প্রতি-হামলা চলে। একটি পর্যায়ে আশিক ও আলালের দলের হাদিস মিয়া টেঁটাবিদ্ধ হন। তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় কিন্তু মৃত্যু ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ দ্রুত বিপুল সংখ্যক বাহিনী আনীত হয়।

এ ঘটনায় নতুন করে প্রায় চার ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষ চলে। উপজেলার সামসু মিয়ার ছেলে হাদিস মিয়া পাওনা টাকার কারণে এ দুর্ঘটনার সাক্ষী হন। তিনি বিলে মাছ ধরার জন্য ব্যবহৃত পাঁচ লাখ টাকা বিক্রি করেছিলেন বলে জানা গেছে।

খবর পৌঁছালে উপজেলার লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাত ৮টা থেকে পৌনে ১২টা পর্যন্ত উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। কালিকচ্ছ বাজারে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় চার ঘণ্টার জন্য ধ্বংসাবশেষ সৃষ্টি হয়।

বিডি-প্রতিদিন প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ঘটনার নোটিশ প্রাপ্তি সময় সরাইল থানার কর্মকর্তা মনজুর কাদের ভূঁইয়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ বাহিনী বিতর্কিত করেছেন। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হন যার মধ্যে তিন পুলিশ কনস্টেবলও রয়েছেন।

মাঠে ময়দানে ১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম ২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ৩৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন ৩৯ ম