News

পানির নিচের ড্রোন বানাবে যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেন-অস্ট্রেলিয়া | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেন-অস্ট্রেলিয়া পানির নিচে ড্রোন বানাবে প ন র ন চ র ড - পানির নিচের ড্রোন বানানোর প্রকল্প যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়া কর্তৃক

Desk News
Published June 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেন-অস্ট্রেলিয়া পানির নিচে ড্রোন বানাবে

প ন র ন চ র ড – পানির নিচের ড্রোন বানানোর প্রকল্প যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়া কর্তৃক ঘোষণা করা হয়েছে। এই নতুন প্রযুক্তি আকুস সামরিক জোটের অধীনে পরিচালিত হবে এবং আগামী বছরের মধ্যে প্রস্তুত হওয়ার আশা রাখা হচ্ছে। এই ড্রোন সমুদ্রের নিচে মানববিহীন যান হিসেবে কাজ করবে এবং সমুদ্রতলের অবকাঠামো রক্ষা করতে, হামলা চালাতে এবং নজরদারি কার্যক্রম সম্পাদন করতে সক্ষম হবে।

নিরাপত্তা সম্মেলনে ঘোষণা

প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত একটি নিরাপত্তা সম্মেলনে আলোচনা হয়। এখানে সম্মেলনে অংশ গ্রহণকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে আকুস প্রকল্পের ধীরগতি নিয়ে মতামত প্রকাশ করা হয়। ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেন, “আকুস-এ আমরা দীর্ঘদিন ধরে বেশি কথা বলেছি কিন্তু কম কাজ করেছি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে আমাদের এখন তিন সরকারের যুগ্ম পরিচালনার মাধ্যমে অগ্রগতি হবে।

আকুস প্রকল্পটি এই প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত প্রকল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে দূরপাল্লার হাইপারসনিক মিসাইল এবং এআই ব্যবস্থার মতো ক্ষেত্রগুলোতে অংশগ্রহণ করা হবে। এই প্রকল্প পানির নিচের ড্রোন এবং সমুদ্রগর্ভের রোবোটিক্স বিকাশ করতে পারবে। উল্লেখ করা হয়েছে যে যুক্তরাজ্য প্রায় ১৫০ মিলিয়ন পাউন্ড অবদান রাখবে, যা প্রকল্পের প্রাথমিক কাজে কাজ করবে।

প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য

পানির নিচের ড্রোন বানানোর প্রকল্প উন্নত সক্ষমতা প্রদানের জন্য নতুন পেলোড এবং সহায়ক ব্যবস্থা তৈরি করবে। এটি বৈজ্ঞানিক ও সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত প্রযুক্তি উন্নয়ন করতে পারবে। প্রকল্পটি দ্বারা এই ড্রোন গুলো নজরদারি কার্যক্রম সম্পাদন করতে সক্ষম হবে এবং তা সমুদ্র থেকে বিশেষ তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।

“পানির নিচের ড্রোন সমুদ্র গর্ভে প্রতিরক্ষামূলক কাজ করবে এবং এটি আমাদের বাহিনীকে উন্নত যুদ্ধ প্রযুক্তি দিয়ে সমর্থন করবে।”

হিলি আরও বলেন যে এই প্রকল্প কমপক্ষে দুইটি দেশে চালু হওয়ার আশা রাখা হয়। তিনি উল্লেখ করেন যে সমুদ্রগর্ভে রোবোটিক্স এবং এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সামরিক কার্যক্রম প্রতিক্রিয়া করতে সক্ষম হবে।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো দুইটি দেশে অনুপ্রেরণার জন্য সমুদ্রতলের রক্ষণাবেখা এবং হামলা প্রক্রিয়া সহজ করা। এটি আগামী বছরে চালু হওয়ার আশা রাখা হচ্ছে। প্রকল্পটি উল্লেখযোগ্য রক্ষণাবেখা করতে সামরিক জোটের সহযোগিতা করবে।

পানির নিচে ড্রোন বানানোর জন্য নতুন সংস্থা গুলো কমপক্ষে দুইটি দেশে চালু হওয়ার আশা রাখা হচ্ছে। প্রকল্পটি সমুদ্রের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রযুক্তি প্রয়োগ করতে সক্ষম হবে। পানির নিচের ড্রোন ব্যবহার করে বিশেষ তথ্য সংগ্রহ করা এবং সামরিক কাজ সম্পাদন ক

Leave a Comment