News

‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনোই সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়’ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সামরিক হামলার লক্ষ্য হওয়া উচিত নয় প রম ণব ক ব দ য - বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক

Desk News
Published May 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সামরিক হামলার লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়

প রম ণব ক ব দ য – বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে ড্রোন হামলার ঘটনার পর উত্তর দিয়েছেন ওয়াশিংটন ভিত্তিক নিউক্লিয়ার এনার্জি ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধি। তিনি জানান যে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সামরিক হামলার পরিচয় হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাতাচ্ছন্ন অঞ্চলে এই প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বারাকাহ বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে বলে আমিরাত কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে। ঘটনার কারণে কেবল একটি বিকল্প জ্বালানি উৎপাদন সংযুক্ত হয়েছে, কোনো ক্ষতি হয়নি। কেন্দ্রটি অবকাঠামো ও সামরিক হামলার পরিচয় হিসেবে চিহ্নিত হয়নি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রাচুর্য বৃদ্ধি করতে পারে সামরিক ঝুঁকি

ইউক্রেন ও ইরানে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সামরিক হামলার ঘটনার পর বিশেষজ্ঞরা আপত্তি জানিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতাচ্ছন্ন এলাকায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিনা বাধা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের সংযুক্ত হামলার কারণে কেন্দ্রের আপন ক্ষতি হয়নি।

বারাকাহ কেন্দ্রটি দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তায় ২০২০ থেকে চালু রয়েছে। এটি আমিরাতের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় এক-চতুর্থাংশ পূরণ করে। সামগ্রিকভাবে এটি সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

আইএইএ বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিরাপত্তা সংযম ছাড়া বৃদ্ধি পেতে পারে। ঘটনার পর কেন্দ্রটি স্বাভাবিক ভাবে চালু রয়েছে। কোনো তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর ঘটনাও ঘটেনি।

বারাকাহ কেন্দ্রের অগ্নিকাঠামো ছাড়া চুল্লির কার্যক্রম বিনষ্ট হয়নি। এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে যে বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুর্ঘটনার পর স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি কমাতে পারে। সংযুক্ত আমিরাতের প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক নীতিমালা মেনে চলছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংরক্ষণ জনগণের বিশেষ প্রয়োজনীয়তা। এই স্থাপনাগুলো অবকাঠামো ও জনস্বাচ্ছন্দ্যের প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। সামরিক হামলার প্রতি কোনো সুরক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মুখে পড়ছে।

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ১ ঘণ্টা আগে | �

Leave a Comment