Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ১ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

Foto : Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ঢাকায় গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি

Patrikajournal.com – প ল শ পর চয় চ দ - বাংলাদেশের ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি-দক্ষিণ গোয়েন্দা শাখা। আসামী লিটন খান প্রিন্স নামে পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেম প্লেট, সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার র‌্যাঙ্ক ব্যাজ এবং নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চালু করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম সুমন। তিনি জানান, এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়েছে।

আসামীর পরিচয় ও অভিযোগ

গ্রেপ্তার করা ব্যক্তি লিটন খান প্রিন্স হল আবদুল্লাহপুর ভাওয়ারভিটি এলাকার আজিজুল খানের ছেলে। পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ প্রতিদিন। তদন্তে জানা গেছে, আসামী স্বল্প সময়ের মধ্যে গুপ্ত জালে পুলিশ পরিচয়পত্র গুপ্ত জালে পুলিশ পরিচয়পত্র ব্যবহার করে নগদ টাকা সংগ্রহ করেছিল। এ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া হবে বলে জানা গেছে।

পুলিশ অফিসার ইনচার্জের বিবরণ

আসামীকে গ্রেপ্তার করেছেন ডিবি-দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম সুমন। তিনি জানান, পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। আসামী সম্পর্কে আরও তথ্য পেতে পুলিশ তাঁকে পুরো জাল খন্ডন করছে।

পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি অভিযোগ প্রাপ্ত হয়েছে বাংলাদেশের ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায়। আসামী হতে পারে গুপ্ত অপরাধ কমিটি মাধ্যমে এ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তে জানা গেছে, এ ব্যক্তি পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করে সামান্য বিনিময়ে বড় টাকা সংগ্রহ করেছিল। তিনি নিজের স্থানীয় কাছাকাছি এলাকায় গুপ্ত জালে নেম প্লেট এবং পুলিশ পরিচয়পত্র ব্যবহার করেছিলেন।

পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি অভিযোগের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিনের পৃষ্ঠায়। তদন্তে বলা হচ্ছে, আসামী হতে পারে পুলিশ কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া জালে পুলিশ পরিচয়পত্র ব্যবহার করে। তিনি সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার ব্যাজ ব্যবহার করেছিলেন বলে অফিসার ইনচার্জ জানান। পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে গতকাল।

এই ঘটনার প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসামী ব্যক্তি গুপ্ত জালে পুলিশ পরিচয়পত্র ব্যবহার করে মাসে অনেক টাকা সংগ্রহ করেছিল। তিনি নিজের নামে বিশেষ করে সাব-ইন্সপেক্টর পদের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে। পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এ ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুপ্ত কাজ চালু করা হয়েছে।

পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি ঘটনা বাংলাদেশের অপরাধ বিষয়ক আলোচনার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে। আসামী পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করে অপরাধ করেছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।