Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা মুমিনের দায়িত্ব | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 6, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Charles Jones - patrikajournal.com

Foto : Charles Jones - patrikajournal.com

প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা মুমিনের দায়িত্ব

Patrikajournal.com – প রক ত র ভ রস ম - আল্লাহতায়ালা পৃথিবী তৈরি করেছেন নীল আর সবুজ উপাদানের মাধ্যমে। নীল হল জল, সবুজ হল গাছপালা। পৃথিবীর তিন ভাগ জল এবং এক ভাগ স্থল। স্থলে সব জায়গায় গাছপালা বিস্তার পেয়েছে। এই পৃথিবী মানুষের জন্য হল না, প্রাণিকুলের জন্যও গড়া হয়েছে।

ছোট পিঁপড়া থেকে মস্ত তিমি পর্যন্ত সব জীব এ পৃথিবীর অংশ। পিঁপড়ার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে কৃষি এবং আবহাওয়া সংবাদ পাওয়া যায়। জাপানে পিঁপড়া দিয়ে ভূমিকম্প আগে সতর্কতা জানা হয়। বাংলাদেশে কৃষকরা পোকামাকড়ের ওড়াউড়ি দেখে রোদবৃষ্টির আগে অবগত হন।

প্রকৃতির সব উপাদান মুমিনের ওপর টিকে থাকা দায়িত্ব। মানুষ পরিবেশ নষ্ট করলে অপরিহার্য কষ্ট ছাড়া বাঁচতে পারে না।

পরিবেশ বিপর্যয় আসে কখন? যখন মানুষ পরিবেশকে আপন মনে করতে পারে না। তাদের ক্ষতি করে অপরিহার্য আপত্তি ঘটে। সেই দায়িত্ব পূরণ করতে হবে মানুষের জন্য।

নবীজি (সা.) উহুদ পাহাড় সম্পর্কে বলেছেন, ‘দেখো! এ হলো মদিনা শহর। এ হলো উহুদ পাহাড়। এ আমাদের ভালোবাসে। আমরাও একে ভালোবাসি।’ (বুখারি ও মুসলিম)। এ হাদিস থেকে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার ব্যাপারে শিক্ষা পাওয়া যায়। পাহাড় নিষ্প্রাণ হলেও তা নবীর ভালোবাসা বহন করে।

পৃথিবীতে নদী ও গাছপালা ছাড়া সভ্যতা সম্ভব হয় না। আল্লাহর অশেষ দয়ায় নদীমাতৃক দেশে মানুষ জন্মগ্রহণ করে। জল ও মাটি দ্বারা সব প্রেম, মমতা এবং সভ্যতা দান করা হয়। কিন্তু এখন নদী হত্যা করে আমরা হয়েছি লোভী অসভ্য জাতি।

জলাশয় ধ্বংস করে গরমের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। সূর্যের তাপ পানি শোষণ করলে তা তাপ হজম করে। মাটি বা ইট-সুরকি বাড়ি তাপ শোষণ করতে পারে না। ফলে আবহাওয়া আরও উত্তপ্ত হয়। এ কারণে স্বার্থপর মানুষ আজ প্রতিনিয়ত তাপ বৃদ্ধির মুখে আছেন।

যখন কোনো মুমিন মারা যায় তখন যে জমিনে সে সেজদা দিয়েছে- সেই জমিন তার জন্য কাঁদে। আসমান ও পুরো পৃথিবী তার জন্য কাঁদে।

আল্লাহ আমাদের এসবের সার বার্তা বোঝার তাওফিক দিন। আমিন।

লেখক: প্রিন্সিপাল, সেইফ এডুকেশন ইনস্টিটিউট।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ ১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন ১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন ৫ ঘণ্ট