প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিশ্চিত করে মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড
প্রথমার্ধে কোনো গোল না পেয়ে ম্যাচ শেষ হয়েছে
প রথম র ধ শ ষ গ – বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে ইংল্যান্ড মাঠে নেমেছিল। তবে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে পানামার জালে কোনো বল পড়েনি তাদের। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইংল্যান্ড আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু বারবার সুযোগ তৈরি করেও গোল করতে পারেনি তারা।
ম্যাচের ৮ মিনিটে ইংল্যান্ডের প্রথম শট নেয় মার্কাস রাশফোর্ড। তিনি বাঁ দিক থেকে জোরালো ক্রস করেন কিন্তু পানামার গোলরক্ষক মসকেরা সেভ করে দেন। পরে কর্নার থেকে বুকায়ো সাকার শট প্রতিকার করে বিপদমুক্ত করেন পানামার ডিফেন্ডার। মাঠে আরও কয়েকটি সুযোগ থাকলেও ইংল্যান্ডের গোল করতে পারেনি।
১৫ মিনিটে পানামা প্রতিরোধ চালিয়ে যায়। তাদের ডিফেন্ডার রদ্রিগেজের শট ব্লক করে দেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন। হাইড্রেশন ব্রেকের আগে মরগান রজার্স ও হ্যারি কেইনের বোঝাপড়ায় বল দখল ইংল্যান্ডের হাতে ছিল। তবে কোনো গোলের সুযোগ হয়নি।
৩৮ মিনিটে ইংল্যান্ডের পানামার ডিফেন্ডার পরিচালনার কারণে পেনাল্টি আবেদন করে কিন্তু রেফারি কোনো ফাউল দেননি। পরবর্তী মুহূর্তে মার্কাস রাশফোর্ডের শট পানামার ডিফেন্ডার চূড়ান্ত সীমার বাইরে ক্লিয়ার করে দেন। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড ৯টি শট নিয়ে ৪টি লক্ষ্যে রাখে। পানামা তিনটি শটের মধ্যে ২টি লক্ষ্যে পৌঁছে।
বল দখলের পরিমাণ নিয়ে ইংল্যান্ডের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। তাদের ৭২ শতাংশ সময় মাঠের কাছে ছিল। প্রথমার্ধ শেষে ম্যাচের স্কোরলাইন ছিল ০-০। দ্বিতীয় অর্ধেক সময়ে কোনো গোল হয়নি।
ম্যাচের সময়ে বিভিন্ন পর্যায়ে সময় ছাপা হয়েছিল। মাঠে ময়দানে ৪৮ মিনিট আগে, ৫৮ মিনিট আগে, ৫৯ মিনিট আগে, ১ ঘণ্টা আগে, ২ ঘণ্টা আগে, ৩ ঘণ্টা আগে, ৪ ঘণ্টা আগে, ৫ ঘণ্টা আগে, ৬ ঘণ্টা আগে এবং ২১ ঘণ্টা আগে সময় ছাপা হয়। পূর্ব-পশ্চিম ও অর্থনীতি বিষয়ে সময় ছাপা
