News

ফটিকছড়িতে ‘কেঁচো গ্রাম’: ভার্মি কম্পোস্টে বদলে যাচ্ছে নারীদের জীবন | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

ফটিকছড়িতে ‘কেঁচো গ্রাম’: নারীদের জীবনে আবির্ভূত হয়েছে সার উৎপাদনের নতুন সংস্করণ ফট কছড় ত ক চ গ র - চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হাজারীখিল গ্রাম এখন নতুন

Desk News
Published June 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ফটিকছড়িতে ‘কেঁচো গ্রাম’: নারীদের জীবনে আবির্ভূত হয়েছে সার উৎপাদনের নতুন সংস্করণ

ফট কছড় ত ক চ গ র – চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হাজারীখিল গ্রাম এখন নতুন সংস্করণে পরিচিতি পেয়েছে ‘কেঁচো গ্রাম’ হিসেবে। গ্রামটি আগে বন থেকে কাঠ সংগ্রহে জীবিকা নির্বাহ করা মানুষের বাসস্থান ছিল, কিন্তু বর্তমানে এটি পরিবেশবান্ধব কৃষির মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়েছে। গ্রামের নারীদের কর্মসংস্থান ও আর্থিক স্থিতিশিলতা নির্মাণে কেঁচো সার উৎপাদন নতুন আলো ফেলেছে।

উপজেলার হাজারীখিল গ্রামে এই পরিবর্তনের প্রথম ধাক্কা দিয়েছেন গৃহিণী উষা বালা। তিনি ২০১৬ সালে পরীক্ষামূলকভাবে কেঁচো সার তৈরি শুরু করেন। শুরুতে এ উদ্যোগে স্থানীয়দের কৌতূহল ছিল, কিন্তু তার সফলতার পর অন্যান্য নারীদের উৎসাহিত করেছিল। বর্তমানে গ্রামের প্রায় ৪০ জন মহিলা এই কাজে সরাসরি যুক্ত রয়েছেন।

উষা বালার খামারে পলিথিন বিছিয়ে পচা গোবর ও মাটির মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। আর্দ্র ও ছায়াযুক্ত পরিবেশে কেঁচো এসব উপাদান খেয়ে মলত্যাগ করে। এ মলত্যাগ উন্নতমানের জৈব সারে পরিণত হয়। গোবর সংগ্রহ থেকে সার উৎপাদনে প্রায় দুই থেকে আড়াই মাস সময় লাগে। খামারে প্রতি মাসে প্রায় এক হাজার থেকে দেড় হাজার কেজি ভার্মি কম্পোস্ট তৈরি হয়। এতে মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে আধা-পচা গোবর, রান্নাঘরের পচনশীল বর্জ্য এবং বিশেষ প্রজাতির কেঁচো ব্যবহার করা হয়। এটি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়তা করে। কৃষি বিভাগ নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে কৃষকদের মধ্যে এর ব্যবহার বাড়াচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, এ উদ্যোগ শুধু নারীদের আয় বৃদ্ধি করেছে, বরং পরিবারগুলোর আর্থিক অবস্থারও উন্নতি ঘটিয়েছে। অনেক মহিলা এখন সন্তানদের শিক্ষা খরচ বহন করছেন এবং পারিবারিক সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। কৃষি কর্মকর্তা আবু ছালেক বলেন, ভার্মি কম্পোস্ট অত্যন্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন জৈব সার। এটি কৃষি উৎপাদন ও সার ব্যবহার ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব উপায়।

হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী জানান, উষা বালার মতো উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টায় এলাকায় কেঁচো সার উৎপাদন জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। সরকারি ও বেসরকারি

Leave a Comment