Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বগুড়ায় মরিচে ভাগ্য বদলেছে চরাঞ্চলের কৃষকদের | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By James Martinez - patrikajournal.com

Foto : James Martinez - patrikajournal.com

বগুড়ায় মরিচে ভাগ্য বদলেছে চরাঞ্চলের কৃষকদের

Patrikajournal.com – বগ ড় য় মর চ ভ গ - বর্তমান মৌসুমে বগুড়া জেলায় সাড়ে চারশত কোটি টাকার পরিমাণে শুকনা মরিচ উৎপাদিত হয়েছে। উৎপাদনের মূল কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার যমুনা নদীর চরাঞ্চল। প্রায় সাড়ে চারশত কোটি টাকার মরিচ উৎপাদনের মধ্যে সারিয়াকান্দি চর থেকে সবচেয়ে বেশি শুকনা মরিচ আসছে। কৃষি কর্মকর্তাদের আনুমান অনুযায়ী, এ মৌসুমে প্রায় ৫ হাজার ৫৪০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে চার হাজার হেক্টর চরাঞ্চলে প্রাপ্ত হয়েছে।

বগুড়া জেলার লাল মরিচ দেশজুড়ে পরিচিত। এর মান ও ঝালের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন খাতে চাহিদা রয়েছে। মরিচ চাষে সম্প্রতি চরাঞ্চলের কৃষকদের স্থায়ী আয় উপলব্ধি করেছে। এ কারণে যমুনা নদীর চরগুলোতে মরিচ চাষ প্রতিবছর বৃদ্ধি পেয়েছে। চরের পরিবেশে মরিচ শুকানো, উল্টানো ও বস্তায় ভরার কাজ চলছে। প্রতিনিধিরা মৌসুমের শুরু থেকেই মরিচ সংগ্রহে যোগদান করেছেন।

বগুড়ার মরিচের প্রতি মণ মূল্য সাধারণত ৯-১২ হাজার টাকা। প্রতি বিঘা জমিতে মরিচ চাষের গড় খরচ প্রায় ২০ হাজার টাকা। উপজেলাগুলোতে বিঘাপ্রতি ফলন হয়েছে ৮-৯ মণ। এ কারণে প্রতি বিঘার সম্ভাব্য লাভ হয়েছে ৩০-৪০ হাজার টাকা। তবে কৃষকদের মতে, খরচ বাস্তবে সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। হাইব্রিড বীজে খরচ উৎপাদনের মূল অংশ। এর দাম কেজিপ্রতি ৬০-৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

“বগুড়ার মরিচ মান উন্নত হওয়ায় দেশের বড় কোম্পানি গুলো এ জেলার মরিচ কিনে থাকে। তাদের চাহিদার কারণে চাষিরা ভালো দাম পান।”

সারিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের পারতিত পরল গ্রামের মরিচ চাষী ফজলু মিয়া জানান, চর এলাকায় মরিচ উৎপাদনের প্রতিটি পর্যায়ে সহযোগিতা করেন বাড়ির নারীরা। বীজ বপণ থেকে শুকানো, বাছাই ও বস্তায় ভরার প্রতিটি ধাপে তাদের অংশগ্রহণ হয়েছে। ফলে উৎপাদন সহজ হয় এবং বাড়তি আয় তাদের কাছে আসছে।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ফরিদুর রহমান ফরিদ বলেন, যমুনা নদীর চর থেকে উৎপাদিত মরিচ দেশের বিভিন্ন খাতে ব্যবহার করা হয়। সারিয়াকান্দি উপজেলায় সবচেয়ে বেশি লাল মরিচ উৎপন্ন হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চর থেকে ভোক্তা পর্যন্ত মরিচ পৌঁছাতে কৃষক, আড়তদার, পাইকার ও কোম্পানির মাধ্যমে একাধিক ধাপ পেরোতে হয়। প্রতিটি স্তরে দাম বাড়তে থাকে, কিন্তু প্রথম স্তরে কৃষক সবচেয়ে কম দাম পান।

এ মৌসুমে মোট উৎপাদিত শুকনা মরিচের পরিমাণ দাঁড়া