বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্তবাণিজ্য চুক্তি সইয়ে সম্মতি
ব ল দ শ ম লয় শ – বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া মুক্তবাণিজ্য চুক্তি সইয়ে সম্মতি জানানো হয়েছে। এ পদক্ষেপে দুই দেশের মধ্যে আরও শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার দেখা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন ঘোষণা করেন যে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সহযোগিতা আরও প্রসারিত হতে পারে।
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বৈঠক ও অর্থনৈতিক প্রস্তাব
২২ জুন মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে শাংগ্রি লা হোটেলে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ডেলিগেশন বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে উন্নয়নের ক্ষেত্রে সমঝোতা গ্রহণ করে। এতে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া শিল্প ও ব্যবসার খাত বিস্তারের উদ্দেশ্যে জোরালো অঙ্গীকার জানানো হয়েছে।
“বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার জন্য পারস্পরিক স্বার্থে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।”
প্রস্তাবে হালাল শিল্প ও ব্যবসার সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে মালয়েশিয়ার প্রাকৃতিক কাঠামো কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া হালাল পণ্যের প্রদান ব্যবস্থা বাড়িয়ে দক্ষ জনবল তৈরি ও গবেষণা প্রশিক্ষণের প্রক্রিয়া প্রসার করা হবে।
প্রাকৃতিক সম্পর্ক ও স্থায়ী উন্নয়ন
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলার ইতিহাস প্রাচীন সময় থেকে চলছে। ড. মাহদী আমিন মন্তব্য করেন যে জিয়াউর রহমান গভীর সম্পর্কের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সফর করেন ১৯৭৯ সালে মালয়েশিয়ায়। সেই সময় থেকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া জনশক্তি রফতানি শুরু করেছিল।
১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়াও মালয়েশিয়ায় সফর করেন যার পর থেকে উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সহযোগিতা আরও প্রসারিত হয়। এতে জনসাংঘি ও আর্থিক সম্পর্ক আরও গুরুতর হয়েছে।
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্তবাণিজ্য চুক্তি সইয়ে ব্যবসায়িক বাজার প্রসারের সম্ভাবনা স্থায়ী হয়েছে। এটি দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা দৃঢ় করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। চুক্তির প্রয়োগ করার মাধ্যমে প্রতিটি খাতে উন্নয়নের প্রক্রিয়া গতিশীল হতে পারে।
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া প্রতি�
