সামুদ্রিক ভোঁদড় নিয়ে অনেকে আশ্চর্য হয়ে পড়েন কারণ তাদের চোয়াল ও কামড় এতটাই শক্ত যে হাড় ভেঙে দিতে পারে।
ব চ চ ক জ ম ম – বিজ্ঞানীদের নজরে পড়েছে একটি স্পেশাল আচরণ। ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলে টানা সাত বছর ধরে গবেষক মেরিয়েন রিডম্যান পর্যবেক্ষণ করেছেন ১৩টি পুরুষ ভোঁদড় ও ৫০টি মা-শাবক জুটির আচরণ। গবেষণায় উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য যে পুরুষ ভোঁদড় শাবককে মা খাবার নিয়ে ফেরার পর্যন্ত পানির নিচে বাধা দিয়ে রাখে বা ভয় দেখায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে একটি পুরুষ ভোঁদড় নিজের খাদ্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। আচরণটি মুক্তিপণ আদায়ের মতো যাতে শাবকের ছাড় হয়ে মা থেকে খাবার নেওয়া সম্ভব। গবেষকরা এই কৌশলকে হোস্টেজ বিহেভিয়ার বা জিম্মি আচরণ বলে চিহ্নিত করেছেন।
খাদ্যসংকট ও প্রতিযোগিতার প্রভাব
সামুদ্রিক ভোঁদড় উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে ছোট সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী হিসাবে পরিচিত। পূর্ণবয়স্ক ভোঁদড়ের দৈর্ঘ্য চার ফুট পর্যন্ত ও ওজন প্রায় ৯০ পাউন্ড হতে পারে। কিন্তু তাদের শরীরের তাপমাত্রা স্থিয়ম করতে প্রতিদিন নিজের খাদ্যের প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। বর্তমানে তাদের ঐতিহাসিক আবাসনে শুধু প্রায় ১৩ শতাংশ এলাকায় বাস। ফলে শিকার করতে হবে সমুদ্রে খাদ্যের অভাব কম করতে।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, খাদ্যসংকট এবং প্রতিযোগিতার চাপ বিস্ময়কর আচরণের মূল কারণ।
প্রাণীর গুরুতর হুমকি
১৮ ও ১৯ শতকে মূল্যবান পশমের জন্য ব্যাপক শিকারের কারণে সামুদ্রিক ভোঁদড় প্রায় বিলুপ্তির মুখে পড়ে। সংরক্ষণ উদ্যোগের ফলে কিছুটা পুনরুদ্ধার হলেও নতুন ধরনের হুমকি সামনে এসেছে। সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, হাঙরের আক্রমণ, রোগের বিস্তার এবং খাদ্যশৃঙ্খলার পরিবর্তন তাদের অস্তিত্বকে আরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।
বাংলাদেশে সামুদ্রিক ভোঁদড়ের অবস্থা
সুন্দরবন এলাকায় মসৃণ-লোমযুক্ত ভোঁদড়সহ কয়েকটি প্রজাতির ভোঁদড় পাওয়া যায়। কিছু জেলে মাছ ধরার কাজে এই প্রাণী ব্যবহার �
