বাঞ্ছারামপুরে চাল বিতরণে অনিয়ম উঠেছে, ২ জনকে শোকজ
ব ঞ ছ র মপ র চ – বাঞ্ছারামপুরে দ্বিতীয় দিনে চাল বিতরণ কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ শুনা গেছে। পৌরসভার স্থাপিত খাদ্য সহায়তা প্রোগ্রামের আওতায় দরিদ্র পরিবারগুলির জন্য চাল বিতরণ করা হয়েছিল। প্রথম দিনে সমস্যা ছিল না, কিন্তু দ্বিতীয় দিনে বিতরণে পূর্ণ পরিমাণ চাল পাওয়া যায়নি বলে উপকারভোগীদের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে হতাশা ও রাজনৈতিক দাবি উঠেছে।
তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো
উপজেলা প্রশাসন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটির প্রধান হবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন। অন্যদুই সদস্য হলেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা অলি আহাদ এবং খাদ্য কর্মকর্তা অসীম কুমার রায়। কমিটিটি আগামী তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিবে। পৌরসভার দরিদ্র পরিবারদের সমাধানে এই কমিটির প্রধান কর্তৃক সংশোধন করা হবে।
উপকারভোগীদের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে
বাঞ্ছারামপুরে রবিবার সকালে চাল বিতরণ শুরু হয়। উপকারভোগীরা চাল মেপে কম পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। দাবি করা হয়েছে যে, প্রতিটি বস্তায় ১০ কেজি চাল দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু অনেকের বস্তায় ১ থেকে ২ কেজি পর্যন্ত চাল পাওয়া গেছে। আর কিছু বস্তায় ৮ থেকে ৯ কেজির বেশি চাল পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও পূর্ণ পরিমাণ চাল পেয়া যায়নি। এতে হতাশা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম ঘটনাটি আমলে নেন। তিনি বলেন, কিছু বস্তায় খাদ্য গুদাম থেকে আসা চালের পরিমাণ ছিল কম। সম্প্রতি সমন্বয় করা হবে যারা কম চাল পেয়েছেন। প্রতিবেদনে স্থানীয় উপকারভোগীদের বিষয়টি তদন্ত করা হবে।
একজন উপকারভোগী বলেন, “আমরা চাল বিতরণের জন্য বাঞ্ছারামপুর থেকে আসছি। দ্বিতীয় দিনে কম পরিমাণ চাল পাওয়া গেছে। আমাদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল আর সমস্যা হয়েছে আমাদের পরিবারের জন্য।” বিতরণে পূর্ণ পরিমাণ চাল পেয়া যায়নি বলে তিনি অভিযোগ তুলেছেন।
এ বিষয়ে একটি স্থানীয় সংগঠনের প্রতিনিধি বলেন, সম্প্রতি চাল বিতরণ বিষয়ে তিনি দাবি করছেন যে এই অনিয়ম প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে কম হয়েছে। তিনি বলেন, “এই অনিয়ম চাল বিতরণের সময়ে বাঞ্ছারামপুর কমিটি গঠন করার পরে সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে।” কমিটিটি কার্যক্রমে অপরাধ সমাধানের জন্য একটি চাল বিতরণ কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।
খাদ্য সহায়তা প্রোগ্রামে স্থানীয় কর্মকর্তারা নিশ্চিত করবেন যে সবার জন্য পূর্ণ পরিমাণ চাল পাওয়া যাবে। আর এই অনিয়ম প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে। কমিটি তদন্ত করে নির্দেশ দেবে কেন কিছু বস্তায় চাল পরিমাণ কম হয়েছিল। যারা কম চাল পেয়েছেন তাদের জন্য কোনো বিষয় নিশ্চিত করা হবে।
তদন্তে নিয
